Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

সাগরে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ মোট ৭ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার

খোঁজ মিলেছে এফবি জয়কৃষান ট্রলারের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৮, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৮, ১৬:১৬

options
link
সাগরে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ মোট ৭ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার zoom

দেবব্রত মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের আরও সাত মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার হল। নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের খোঁজে বৃহস্পতিবারও সকাল থেকেই তল্লাশি চালায় উপকূলরক্ষী বাহিনী। হেলিকপ্টারে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি সমুদ্রে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চলছে। সেই তল্লাশিতেই এদিন শত্রুঘ্ন দাস, ভরত বেড়া ও বিভু সামন্ত নামে তিন মৎস্যজীবীর দেহ মেলে। এই নিয়ে মোট সাতজন নিখোঁজ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার হল।

[উপকূলে ফেরার পথে ডুবল কাকদ্বীপের ৩টি ট্রলার, নিখোঁজ ১৯ জন মৎস্যজীবী]

বুধবারই মুক্তিপদ করণ ও আর এক মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার হয়। পাঁচজনের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। উপকূলরক্ষী বাহিনীর তল্লাশির মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা। এখনও ১৪ জন মৎস্যজীবীর খোঁজে বঙ্গোপসাগরে তল্লাশি চলছে। এদিকে তিনটি ট্রলারের মধ্যে এফবি জয়কৃষান নামে ট্রলারটিরই খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। বাকি দু’টি ট্রলারের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

Advertisement

[বঙ্গোপসাগরে এখনও নিখোঁজ ১৯ মৎস্যজীবী, উদ্ধার একটি ডুবন্ত ট্রলার]

সোমবার সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরে বিপর্যয়ের জেরে রাজ্যের ১৯ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ হয়ে যান। জলে পড়ে যাওয়া কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের হদিশ পেতে উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জোর তল্লাশি চালাচ্ছে। প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, কাকদ্বীপ, নামখানা ও ফ্রেজারগঞ্জ থেকে প্রায় দু’শো ট্রলার বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম দিক দিয়ে গভীর সমুদ্রে ইলিশ ধরতে যাচ্ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় বিধ্বংসী ঝড়ে সুন্দরবনের কেঁদো দ্বীপের কাছে ডুবে যায় তিনটি ট্রলার– এফবি জয়কৃষান, এফবি শিবানী এবং এফবি মল্লেশ্বর। ট্রলার ডুবির পর কয়েকজনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন।

[দিঘায় মোহনায় উঠল ৫০ টন ইলিশ, দাম কমার সম্ভাবনা]

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, তিনটি ট্রলার থেকে মোট ১৯ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ হন। এঁদের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে উপকূলরক্ষী বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল। বাকিদের খোঁজে গত দু’দিন ধরে রাতভর তল্লাশি চালাচ্ছে প্রশাসন। আবহাওয়ার সতর্কবার্তা ছিল না বলে মৎস্যজীবীদের পরিবারের তরফে অভিযোগ তোলা হয়। সেই অভিযোগ পেয়েই কীভাবে ওই দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন। ঝড়ের খবর কি ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীদের কাছে ছিল না তা খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন।

[ভাগীরথীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল দুই ছাত্র]

বিপর্যয়ের মধ্যে ট্রলার তিনটি যখন ডুবতে বসেছে তখন কিছু মৎস্যজীবী সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। জলে ঝাঁপ দেওয়া সেই মৎস্যজীবীদেরই উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বাকি যাঁরা ট্রলারের মধ্যে থেকে তলিয়ে যান এখন তাঁদের খোঁজেই তল্লাশি চলছে সাগরে। নিখেোঁজ হওয়া মৎস্যজীবীদের পরিবার এখন পরিজনদের ফিরে পাওয়ার আশায় রয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.