Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
A Bangladeshi tourist dies in Nabadwip

চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে বিপত্তি, নবদ্বীপে বেড়াতে এসে মৃত্যু বাংলাদেশি পর্যটকের

শোকে ভাসছেন নিহতের পরিজনেরা। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২২, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২২, ২০:৫০

options
link
চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে বিপত্তি, নবদ্বীপে বেড়াতে এসে মৃত্যু বাংলাদেশি পর্যটকের zoom
ছবি: প্রতীকী

বিপ্লবচন্দ্র দত্ত, কৃষ্ণনগর: বাংলাদেশ থেকে ভারতে বেড়াতে এসে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে বিপত্তি। ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগর স্টেশনে। শোকে ভাসছেন নিহতের পরিজনেরা। 

নিহত বছর ছাপ্পান্নর পূর্ণিমা সাহা বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের কারশিয়ানী ভাটিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পূর্ণিমার নদিয়ার বিভিন্ন জায়গায় আত্মীয়স্বজন রয়েছেন। মূলত তীর্থ করতে এবং আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার জন্য প্রায় মাসদেড়েক আগে তিনি বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছিলেন। নবদ্বীপ ও মায়াপুরে তীর্থ সেরে এবং আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে বুধবারই তাঁর রানাঘাট হয়ে বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। বুধবার সকালে নবদ্বীপ থেকে কৃষ্ণনগর স্টেশনে পৌঁছেছিলেন তিনি। কৃষ্ণনগর থেকে রানাঘাটগামী সকাল ৬টা ২০ মিনিটের ট্রেন ধরতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু স্টেশনে পৌঁছে তিনি দেখেন ট্রেনটি ততক্ষণে স্টেশন থেকে ছেড়ে দিয়েছে। দৌড়ে তিনি চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু পড়ে গিয়ে প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের ফাঁকে চলে যায় তাঁর দেহ। ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মহিলার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কেশবপুরে সমবায় সমিতির ভোটে জয়জয়কার তৃণমূলের, মুখ থুবড়ে পড়ল রাম-বাম জোট]

মৃতদেহটি উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সেই খবর পেয়ে তাঁর আত্মীয়স্বজনেরা কৃষ্ণনগর রেলপুলিশের সঙ্গে দেখা করেন। এবং জেলা হাসপাতালে পৌঁছন। হাঁসখালি থানার বগুলার বাসিন্দা সুবোধ সাহার কাকিমা ছিলেন পূর্ণিমা সাহা। সুবোধ সাহা জানিয়েছেন, তীর্থ করতে এবং আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে প্রায় দেড়মাস আগে কাকিমা বাংলাদেশ থেকে এদেশে এসেছিলেন। নবদ্বীপ থেকে কৃষ্ণনগর হয়ে ট্রেন ধরে রানাঘাটে পৌঁছনোর কথা ছিল। কারণ, রানাঘাটে আত্মীয়র বাড়িতে তাঁর সমস্ত ব্যাগপত্র রাখা ছিল। কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেন ধরে রানাঘাটে পৌঁছে সেইসব মালপত্র নিয়ে বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।

কিন্তু তাঁর আর বাড়ি ফেরা হল না। বাংলাদেশের ফরিদপুর থেকে মূলত চিকিৎসা করানোর জন্য ভারতে এসেছিলেন পূর্ণিমা সাহার বেয়াই অরবিন্দ রায়। বেয়ানের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনিও পৌঁছেছিলেন কৃষ্ণনগরে। তিনি জানিয়েছেন, উনি যে এভাবে চলে যাবেন, তা ভাবতে পারিনি। রেল পুলিশের সঙ্গে কথা বলে কীভাবে দেহ বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া যায়, তার চেষ্টা চালাচ্ছেন পূর্ণিমা সাহার আত্মীয়রা।

[আরও পড়ুন: হাতে সময় ৩ দিন, বাকি আরও ৯ লক্ষ অনুমোদন, আবাস যোজনায় নবান্নে যুদ্ধকালীন তৎপরতা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.