সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: ভাইজ্যাগের তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জখম হয়েছিলেন তিনি৷ ঘটনার ন’দিন পর জীবনযুদ্ধে হার মানলেন বাংলার শ্রমিক৷ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার নুরপুরের কোম্পানি পুকুরের বাসিন্দার মৃত্যুতে চোখের জলে ভাসছে গোটা গ্রাম৷
[আরও পড়ুন: সার্থক ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি, স্থানীয়দের সমস্যা শুনতে পঞ্চায়েতেই বসবেন বিডিও]
গত ১২ আগস্ট বিশাখাপত্তনমের ভাইজ্যাগে তেলবাহী ভারতীয় জাহাজ জাগুয়ারে আগুন লাগে। জাহাজে মোট ৩০ জন কর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত হন এ রাজ্যের দু’জন। তাঁদের একজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার রামনগর থানার নুরপুরের কোম্পানি পুকুরের বাসিন্দা আনসারুল হক। বছর চৌত্রিশের আনসারুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভাইজ্যাগের একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। হাসপাতালে ভরতি থাকাকালীনই চিকিৎসায় বিশেষ সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি৷ দিন যত যাচ্ছিল, ততই অবস্থার অবনতি হচ্ছিল তাঁর৷ দিন দুয়েক আগে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়৷ তবে বুধবার সকালে সব শেষ৷ জীবনযুদ্ধে হার মানেন আনসারুল৷ ওই হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়।
[আরও পড়ুন: সদস্য সংগ্রহে বড় সাফল্য বিজেপির, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে সংখ্যা ছাড়াল ৮ লক্ষ]
দুপুরের পর তাঁর মরদেহ নুরপুরের বাড়িতে পৌঁছায়৷ আনসারুলকে শেষ দেখা দেখতে ভিড় জমান গোটা গ্রামের বাসিন্দা৷ কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়-পরিজন, প্রতিবেশীরা।
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!