বিক্রম রায়, কোচবিহার: বিজেপি (BJP) নেতা খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের তুফানগঞ্জ। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, শাসকদলই পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে ওই ব্যক্তিকে। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল। তাঁদের কথায়, দুই ক্লাবের বচসা মেটাতে গিয়েই প্রাণ গিয়েছে ওই ব্যক্তির।
জানা গিয়েছে, কোচবিহারের তুফানগঞ্জের ১ নং ব্লকের নাগকাটিগাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিজেপির ওই বুথ সম্পাদকের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তাঁর এলাকাতেই দুটি ক্লাব রয়েছে, স্বামীজি সংঘ ও নেতাজি সংঘ। দুই ক্লাবের কালীপুজো নিয়ে কয়েকদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই গতকাল বিসর্জন হয়। স্থানীয়দের কথায়, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
[আরও পড়ুন: ভুল মূর্তিতে মাল্যদানের জের, ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে অমিত শাহকে চিঠি আদিবাসীদের একাংশের]
তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে তাঁর দেহ। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপি নেতা হওয়ার কারণেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে কালাচাঁদকে। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। যদিও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, “দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”
[আরও পড়ুন: রাজ্যের অভিযোগ খারিজ, সুশান্ত ঘোষকে গড়বেতায় ফেরার অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের
-
তোলাবাজি থেকে যৌনহেনস্তা! ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস, এজলাসে তুমুল হই হট্টগোল
-
কালীঘাটের বৈঠকে সেই ‘আদি’রাই, এলেন না ‘বিদ্রোহীরা’, দল বাঁচাতে পারবেন মমতা?