BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিপদের বাড়বাড়ন্ত, ক্যানসারের চিকিৎসায় মুম্বই গিয়ে করোনা আক্রান্ত মা-ছেলে

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 15, 2020 6:58 pm|    Updated: May 15, 2020 7:26 pm

An Images

সৌরভ মাজি ও চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়: একেই বোধহয় বলে, গোদের উপর বিষফোঁড়া। শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ক্যানসার। তার চিকিৎসা করাতে মুম্বই গিয়ে দোসর হয়ে গেল নোভেল করোনা ভাইরাস। বর্ধমানের আউশগ্রামের বাসিন্দা মা ও ছেলের করোনায় আক্রান্ত হলেন। ফেরার পথেই তা ধরা পড়ায় সোজা তাঁদের হাসপাতালে পাঠিয়ে দিল ট্রাফিক পুলিশ। ফলে তাঁদের থেকে এলাকায় সংক্রমণ কিছুটা এড়ানো গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

আউশগ্রাম ২ নং ব্লকের বাসিন্দা প্রৌঢ়া ক্যানসার আক্রান্ত। লকডাউনের আগে তাঁকে নিয়ে মুম্বইতে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন ছেলে। দীর্ঘদিন সেখানে চিকিৎসার পর এর মাঝে পরিবহণ কিছুটা সচল হওয়ায় ফেরার চেষ্টা করেন তাঁরা। অসুস্থ মাকে নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করে বর্ধমানে ফেরার পথ ছেলে। ১১ মে ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলায় প্রবেশের পথে আসানসোলের ডুবুডিহি চেক পোস্টে ওই অ্যাম্বুল্যান্স আটকায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ। সেখানে থার্মাল স্ক্যানিংয়ে ধরা পড়ে, মহিলার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ বেশি।

[আরও পডুন: ঘরে ফেরার উপায় সবুজ সাথী, চড়া দামে পড়ুয়াদের সাইকেল কিনছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা]

তৎক্ষণাৎ ট্রাফিক পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের দু’জনকেই আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে মায়ের চিকিৎসা শুরু হয়। ছেলের কোনও শারীরিক অসুস্থতা না থাকায় তাঁকে ভরতি করা হয়নি। তবে মায়ের জন্য বাড়ি না ফিরে তিনি বেশ কয়েকদিন হাসপাতাল চত্বরেই থেকে যান। দিন কয়েক আগে ওই মহিলা ও তাঁর ছেলের করোনা পরীক্ষা করা হয়। বৃহস্পতিবার রিপোর্ট এলে জানা যায়, মা-ছেলে দু’জনেই আক্রান্ত হয়েছেন।

[আরও পডুন: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টে ফেসবুক পোস্ট, তেলিনিপাড়া কাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ১ মহিলা]

এরপর দু’জনকেই দুর্গাপুরের কাঁকসায় COVID হাসপাতালে ভরতি করানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানিয়েছেন, আউশগ্রাম ২ ব্লকের দুই বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত। তবে তাঁরা গ্রামে না ফেরায় ওই এলাকা Containment Zone হিসেবে ঘোষণা করার কোনও প্রয়োজন নেই। পরিবারের সদস্যদেরও কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement