চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: করোনা আতঙ্কে বাজারে মাস্কের চাহিদা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই দোকানে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তাই নিজেরাই মাস্ক তৈরি করে পিছিয়ে পড়া এলাকায় বিলি করতে শুরু করলেন আসানসোলের একদল পড়ুয়া। মাস্কের পাশাপাশি দরিদ্রদের হাতে তুলে দিলেন অ্যান্টিসেপটিক সাবানও।
করোনা সতর্কতায় মাস্ক কেনার হুড়োহুড়ি সর্বত্র। এই সুযোগে ব্যবসায়ীদের একাংশ মাস্ক বিক্রি করছেন দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে। কিন্তু যাঁরা খেটে খাওয়া মানুষ তাঁরা কীভাবে কিনবেন মাস্ক? একশো-দেড়শো টাকা দিয়ে মাস্ক কেনা আদৌ সম্ভব নয় তাঁদের পক্ষে। সেই কথা ভেবে ৪৫ জন্য পড়ুয়া মিলে তৈরি করে একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ‘অঙ্গীকার’। বার্নপুরের বস্তি বা পিছিয়ে পড়া গ্রামবাসীদের জন্য প্রায় ২ হাজার মাস্ক তৈরি করে তাঁরা। দামোদরের তীরে ঢয়রা পাড়ার বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেন করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় মাস্ক ও সাবান।

[আরও পড়ুন: রোগীর চাপে দীর্ঘদিন বাড়ি ফেরেননি চিকিৎসক, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবরে একঘরে পরিবার]
শ্রেয়া পাল, রূপা মিত্র, দীপঙ্কর দে, সোনু প্রকাশ, মৌমিতা পালরা বলেন, “ওই গ্রামের বাসিন্দারা সকলেই দিনমজুর। পুরুষরা ভ্যান চালান বা ভাটায় কাজ করেন। মহিলারা শহরের আবাসনে পরিচারিকার কাজ করেন। করোনা ভাইরাস সম্পর্কে অনেক কিছু শুনলেও কী করণীয় তা তাঁরা জানেন না। এমনকী লকডাউন কী সেটাও তাঁদের জানা ছিল না। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের সতর্ক করছি, মাস্ক ও সাবান বিলি করেছি।” তাঁরা জানান, দামি কাপড়ের দুটি স্তরের মাঝে হালকা স্পঞ্জ ও সাদা ফিতে দিয়ে মাস্কগুলি তৈরি করা হয়েছে। তবে তাঁদের মাস্ক বিলি শেষ হওয়ার আগেই লকডাউন জারি হয়েছে। তাই পুলিশ প্রশাসনের সাহায্যে বাকি সামগ্রী বিলি করছে ওই পড়ুয়ারা।
[আরও পড়ুন: দেশজুড়ে লকডাউন, প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে লক্ষ্মণরেখা টানলেন গ্রামবাসীরা]
সর্বশেষ খবর
-
১৫ ঘণ্টার পাওয়ার ব্লকে ভোগান্তিতে যাত্রীরা, দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিকের চেষ্টায় রেল
-
‘ভারতের যুবসমাজ হাতের পুতুল নয়’, ককরোচ পার্টিকে তোপ নীতীন নবীনের
-
সময় দিতে নারাজ পুলিশ, মেসিকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসকে সোমবারই ফের তলব, বাড়ছে গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা
-
তরুণীকে নিগ্রহ! অভিযোগ করায় ‘মারধর’, কলেজ স্ট্রিটে তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ি ঘিরল বাহিনী
-
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বস্তির জয় মেসিহীন আর্জেন্টিনার, জিতলেও চোট চিন্তায় ব্রাজিল