Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
A man allegedly killed in Nanoor on suspicion of theft

চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে ‘খুন’, নানুরে তীব্র চাঞ্চল্য

কে বা কারা তাঁকে খুন করল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২, ১৮:১৭

options
link
চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে ‘খুন’, নানুরে তীব্র চাঞ্চল্য zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। বীরভূমের নানুরের সাঁতরা গ্রামের ঘটনা। নিহত বশির শেখ, একসময় তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী বলেই পরিচিত ছিলেন। তবে ইদানিংকালে তাঁর শাসক শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছিল বলেই দাবি। কে বা কারা তাঁকে খুন করল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নানুর থানার পুলিশ।

নানুরের সাঁতরা গ্রামের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা বছর বত্রিশের বশির শেখ। শুক্রবার বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় এলাকার বেশ কয়েকজন তাঁর পথ আটকান। মারধর করেন তাঁকে। রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি করা হয়। তবে তাতে শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় বশিরের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: জেলের খাবারে অরুচি! দেশি মুরগি আর টাটকা পোনা খাওয়ার ‘আবদার’ অনুব্রতর]

স্থানীয় সূত্রে খবর, বশির ও তাঁর দাদা সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসাবেই পরিচিত। সম্প্রতি বশির মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। তিনি এলাকায় মাদক বিক্রি করতেন বলেও অভিযোগ। সম্প্রতি স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক্স মোটর চুরির অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। নানুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়েছিল। সে কারণেই সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে পরিবার এবং অন্যান্য তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বশিরের। পরিবারের লোকজন তাঁকে বাড়িতে আসতেও বারণ করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ।

পরিবারের লোকজনের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা রাজা শেখ ও খেলন শেখ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করে বশিরকে। নিহতের দাদার দাবি, ওই দু’জনের কাছ থেকে টাকা পেতেন বশির। আর্থিক বিবাদে বশিরকে তারা খুন করে বলেই অভিযোগ। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খানের দাবি, বশিরের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। দিন দিন মাদকের প্রতি আসক্তিও তৈরি হয়েছিল তার। তবে যাই হোক না কেন বশিরের খুনের মতো ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না বলেই জানান তিনি। পুলিশের দাবি, বশিরকে খুনের অভিযোগ উঠলেও তাঁর শরীরে কোনও ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়নি। মঙ্গলকোট হাসপাতাল থেকে অন্যত্র পাঠানোর সময় মৃত্যু হয়। প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: মানসিক অবসাদে যুবকের পায়ুদ্বারে টর্চ, কাটোয়া হাসপাতালে জটিল অস্ত্রোপচার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.