Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Birbhum

বীরভূমে কচ্ছপের মাংস খেয়ে মৃত প্রৌঢ়, হাসপাতালে ভর্তি পরিবারের ৬ জন

খাদ্যে বিষক্রিয়া-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪, ১৩:৫৫

options
link
বীরভূমে কচ্ছপের মাংস খেয়ে মৃত প্রৌঢ়, হাসপাতালে ভর্তি পরিবারের ৬ জন zoom
ছবি: সংগৃহীত

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: কচ্ছপের মাংস ও খিচুড়ি খেয়ে বীরভূমে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি একই পরিবারের ৬ জন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। আরও কেউ এই মাংস খেয়ে অসুস্থ কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মৃত ব্যক্তির নাম স্বাধীন বাগদি। বয়স ৪৮ বছর। তিনি বীরভূমের কাঁকড়তলা থানার বাসিন্দা। খাদ্যে বিষক্রিয়া-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। বাকিদের দুবরাজপুর, খয়রাশোল, সিউড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুবরাজপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মৃতের স্ত্রী মটরা বাগদি ও আত্মীয় ভুবন বাগদি ও পটা বাগদি। তাছাড়াও স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি আরও তিনজন।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, দুই-তিন আগে একই পরিবারের সদস্যরা রাতে কচ্ছপের মাংসের সঙ্গে খিচুড়ি খায়। তারপরই সেই দিন রাত থেকেই তাঁদের প্রত্যেকের বমি, পায়খানার উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে স্বাধীন ও মটর বাগদির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সিউড়ি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে স্বাধীনবাবুর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকলে শুক্রবার রাতে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর।

ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সব্যসাচী রায়ের জানান, এই মৃত্যুর কারণ শুধু খাদ্যে বিষক্রিয়া নয়, অন্যান্য শারীরিক অসুবিধার জেরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছন, বাকিদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে। বাকিরা দুবরাজপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রত্যেকই বিপদমুক্ত। সব্যসাচীবাবু জানিয়েছেন, গ্রামে আর কেউ অসুস্থ কি না তা দেখা হচ্ছে।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.