Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
kidnap

অপহৃত শিলিগুড়ির চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ৫ কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবি দুষ্কৃতীদের

ওই ব্যক্তির হদিশ পেতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ২১:২৪

options
link
অপহৃত শিলিগুড়ির চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ৫ কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবি দুষ্কৃতীদের zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: অপহৃত শিলিগুড়ির এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। ওই ব্যক্তির নাম কিষণকুমার আগরওয়াল। মঙ্গলবার সকাল থেকে বেপাত্তা শিলিগুড়ির ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পাঞ্জাবিপাড়ার বাসিন্দা ওই ব্যক্তি। নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবার সূত্রে খবর, অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি ফোনে পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চেয়েছেন। ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি জানিয়ে শিলিগুড়ি থানার দ্বারস্থ হয়েছেন নিখোঁজের পরিবারের সদস্যরা। শুরু হয়েছে তদন্ত।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রের খবর, আদতে খালপাড়ার বাসিন্দা হলেও বছর কয়েক আগে পাঞ্জাবিপাড়ায় ফ্ল্যাট কেনেন ওই ব্যক্তি। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে সেখানেই থাকতেন তিনি। অন্যান্যদিনের মতোই মঙ্গলবার সকালে কাজে বেরিয়েছিলেন কিষণবাবু। দুপুর ১২টার পর থেকে তাঁর মোবাইল সুইচড অফ। সকাল ১১ টার পর থেকে হোয়াটস অ্যাপও দেখেননি তিনি। রাত ১০ টায় কিষণবাবু পাঞ্জাবিপাড়ার বাড়িতে ফেরেনি এবং তারপরই পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন আসায় শিলিগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করার সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের লোকজন। অভিযোগ, সেই সময়ই তাঁদের কাছে ফের অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। সেই ফোনে তাঁদের অভিযোগ দায়ের করতে বারণ করা হয়। বলা হয়, ব্যবসায়ীকে ফেরত চাইলে ওই টাকা দিতেই হবে। হুমকি সত্ত্বেও এবিষয়ে অভিযোগ দায়েরের পর শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে এসিপি ডিডি রাজেন ছেত্রীর নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। যে দুটি নম্বর থেকে ফোন এসেছিল সেগুলির টাওয়ার লোকেশান জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কী কারণে অপহরণ করা হল ওই ব্যক্তিকে? পেশাগত শত্রুতা নাকি ব্যক্তিগত আক্রোশ, তা নিয়েও ধন্দে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল বিশ্বভারতী, সেমিনার হলে আটকে বিজেপি সাংসদ]

এই ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান তৃণমূলের জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার, বিজেপির জেলা সভাপতি প্রবীণ আগরওয়াল, স্থানীয় কাউন্সিলর তৃণমূলের মানিক দে। প্রত্যেকেই দ্রুত ওই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, থানায় যাওয়ার বিষয়টি কীভাবে অপহরণকারী জানতে পারল? তবে কী আশেপাশেই রয়েছেন অভিযুক্তরা? উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে ওই ব্যক্তির পরিবার সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেলেও প্রবীণবাবু বলেন, “ওই ঘটনা থেকেই বোঝা যাচ্ছে ওই পরিবারের গতিবিধির উপর কেউ নজরে রাখছে। পুলিশ চাইলে ঘটনার নিষ্পত্তি করতে পারে।” তৃণমূল সভাপতি রঞ্জনবাবুও ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তি ও ওই ব্যক্তিকে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.