Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
আত্মঘাতী

মোবাইল কিনে দিতে রাজি হননি বাবা, অভিমানে আত্মঘাতী মাধ্যমিক উত্তীর্ণ কিশোর

চলতি বছরেই মাধ্যমিক পাশ করে ওই কিশোর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২০, ১৫:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২০, ১৫:৪২

options
link
মোবাইল কিনে দিতে রাজি হননি বাবা, অভিমানে আত্মঘাতী মাধ্যমিক উত্তীর্ণ কিশোর zoom
ছবি: প্রতীকী

শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: মাধ্যমিক পাশের পর বাবার কাছে মোবাইলের আবদার করেছিল এক পড়ুয়া। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিকের পর ফোন কিনে দেবেন বলে জানিয়েছিলেন বাবা। তাতেই অভিমানে আত্মঘাতী হল চলতি বছরে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ এক কিশোর। শুক্রবার সকালে উদ্ধার হয়েছে তার ঝুলন্ত দেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পোপড়া গ্রামে।

জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থানার পোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওই পড়ুয়ার নাম নাম সরিফুল শেখ। শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি আমগাছে ওই কিশোরের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তাঁরাই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। এরপর মৃতের পরিবারের সদ্যসদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রকাশিত রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফলাফল, কলকাতাকে টেক্কা দিয়ে প্রথম রায়গঞ্জের পড়ুয়া]

পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই মোবাইল ফোনের জন্য বাবার কাছে বায়না করছিল সারিফুল। পরিবারের দাবি, ওই কিশোর নিজেই রাজমিস্ত্রির কাজ করে মোবাইলের জন্য কিছু টাকা জোগাড়ও করেছিল। বাকি টাকার জন্য আবদার করেছিল বাবার কাছে। কিন্তু বাবা মোমিন শেখ বলেছিলেন, উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর সরিফুলকে ফোন কিনে দেবেন। এতেই অভিমান হয় কিশোরের। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির সবাই খাওয়াদাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়তেই চুপিসারে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যায় কিশোর। এরপর সকালে উদ্ধার হয় দেহ। এই ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায়।

[আরও পড়ুন: প্রকাশিত রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফলাফল, কলকাতাকে টেক্কা দিয়ে প্রথম রায়গঞ্জের পড়ুয়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.