Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
বাইক

কেনার আগে টেস্ট রাইডের ছলে প্রতারণা, চোখের সামনে বাইক হাতিয়ে পালাল দুষ্কৃতী

বাইক বিক্রি করতে গিয়ে এখন হাত কামড়াচ্ছেন প্রতারিত যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২০, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২০, ১৬:২৯

options
link
কেনার আগে টেস্ট রাইডের ছলে প্রতারণা, চোখের সামনে বাইক হাতিয়ে পালাল দুষ্কৃতী zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: কেনার অছিলায় দিনেদুপুরে বাইক হাতিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতী। বাইক মালিকের চোখের সামনে দিয়েই চুরি করে নিয়ে চলে যায় সে। বিক্রি করে টাকা তো দূর, বাইকও হাতছাড়া হওয়ায় হতাশ পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ বারুই। গুসকরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তবে এখন বাইক কিংবা বাইক চোর কারও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিশ্বজিৎ বারুই নামে এক যুবকের বাড়ি গুসকরা পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংহতিপল্লি। তাঁদের একটি গাড়ি মেরামতের গ্যারেজ রয়েছে গুসকরা শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাওয়ার হাউসপাড়ায় ২ বি জাতীয় সড়কের পাশে। তাঁর বাবা পরিমলবাবুও একজন মোটর মেক্যানিক। বাবা, ছেলে একসঙ্গে ব্যবসা চালান। বিশ্বজিতবাবু জানান, তিনি বছর দেড়েক আগে শখ করে একটি ইয়ামাহা আর ওয়ান এফ (ভার্সন ৩) মডেলের বাইক কেনেন। দাম পড়েছিল ১ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা। নতুন নতুন মডেলের বাইক চাপার শখ রয়েছে বিশ্বজিৎয়ের। মাসচারেক আগে তিনি তার বাইকটি বিক্রি করতে OLX-এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। মাঝে খরিদ্দার তেমন আসেনি। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ এক অপরিচিত যুবক তাঁর কাছে আসেন বাইকটি কেনার জন্য। আর তারপরেই সেই অপরিচিত যুবক বিশ্বজিৎকে কার্যত টুপি পড়িয়ে দিয়ে চলে যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে ফাঁকা কলেজ তহবিল, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকরা]

বিশ্বজিৎ আরও জানান, গাড়িটি দেখার পর ওই খরিদ্দার স্বাভাবিকভাবেই চেপে দেখতে চায়। বিশ্বজিৎ বারুই বলেন, “আমি তার হাতে বাইকের চাবিটি দিই। স্টার্ট করতেই পিছনে বসি। সে আমাদের গ্যারেজ থেকে স্কুলমোড় পর্যন্ত চালিয়ে আবার গ্যারেজে চলে আসে। তারপর কথাবার্তা বলতে বলতে ফের একা চেপে দেখার অনুরোধ করে। অনেকেই পুরানো গাড়ি কেনার সময় দেখতে চান। আমি বিশ্বাস করে চালাতে দিই।” বিশ্বজিৎবাবু জানান দ্বিতীয় দফায় বাইক নিয়ে পাওয়ার হাউস পাড়া থেকে ওই যুবক রটন্তিকালীতলার দিকে যান। তারপর দশ মিনিট পার হয়। কুড়ি মিনিট যায়। ফিরে আসার নাম নেই। লকডাউনে ফাঁকা রাস্তার সুযোগে ততক্ষণে পগার পার। প্রায় আধঘণ্টা পর বিশ্বজিৎ তাঁর এক বন্ধুর বাইকে একজনকে চাপিয়ে রাস্তায় রাস্তায় চক্কর কেটে বেড়ান। ঘন্টাখানেক ধরে খোঁজ না পেয়ে শেষে গুসকরা পুলিশ ফাঁড়িতে জানান। পুলিশ সূত্রে খবর, গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ আশপাশের থানায় খবর দিয়েছে সেই প্রতারক ও বাইকের সন্ধান চালাতে। তবে এদিন বিকেল পর্যন্ত হদিশ মেলেনি বিশ্বজিৎবাবুর বাইকের। খোঁজ নেই সেই দুষ্কৃতীরও। বাইক বিক্রি করতে গিয়ে এখন হাত কামড়াচ্ছেন মোটর মেক্যানিক ওই যুবক।

ছবি: জয়ন্ত দাস

[আরও পড়ুন: শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে চূড়ান্ত ‘অব্যবস্থা’, দুর্গাপুর স্টেশনে তুমুল বিক্ষোভ যাত্রীদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.