Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মাতৃদিবসে জলপাইগুড়ির স্কুলে ‘মা পুজো’, মায়ের পা ধুইয়ে পায়েস খাওয়াল খুদেরা

কেন এমন সিদ্ধান্ত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৩, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৩, ২০:৪৮

options
link
মাতৃদিবসে জলপাইগুড়ির স্কুলে ‘মা পুজো’, মায়ের পা ধুইয়ে পায়েস খাওয়াল খুদেরা zoom

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: মাতৃদিবসে বিদ্যালয়ে ‘মা পুজো’ করল খুদেরা। মায়েদের পা ধুইয়ে পায়েস খাওয়াল পড়ুয়ারা। অভিনব এই ছবি দেখা গেল ধুগুড়ির বারঘড়িয়া স্বর্ণময়ী বটতলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

রবিবার অর্থাৎ ছুটির দিনে মা দিবস পালন করা হল ধূপগুড়ি ব্লকের বারঘড়িয়া স্বর্ণময়ী বটতলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। দেখা গেল চেয়ারে সারিবদ্ধভাবে বসে মায়েরা। তাঁদের সামনে নিচে বসে সন্তানরা। প্রথমে মায়েদের পা ধুইয়ে মুছে দেয় তারা। হাতজোড় করে শপথ বাক্য পাঠ করান স্কুলের প্রধান শিক্ষক জয় বসাক। খুদেরা বলে, “আমি সারাজীবন মা- বাবাকে ভালবাসব। দেখাশোনা করব।” এরপর মায়েদের পায়েস খাইয়ে দেয় সন্তানরা। সন্তানদের পায়েস খাওয়ান মায়েরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রাক্তন প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট! গ্রেপ্তার দিলীপ ঘোষের ভাইপো]

গোটা পৃথিবীর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন স্কুলে মায়েদের পুজো দেওয়ার রীতি রয়েছে। তবে ভারতবর্ষে শুধু জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতেই এই আয়োজন হয় বলেই দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক জয় বসাক বলেন,”আমি একটি পত্রিকায় পড়েছিলাম ইন্দোনেশিয়ার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের এই ধরনের অনুষ্ঠান করা হয় এবং সেখানে কোনও বৃদ্ধাশ্রম নেই। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিই আমাদের বিদ্যালয় এই ধরনের অনুষ্ঠান করব। প্রতিবছর আমরা এধরণের অনুষ্ঠান করব। এবছর দ্বিতীয়।”

তাপসী রায় ,পিংকি রায়-সহ অন্যান্য অভিভাবকরা বলেন, “কোনওদিন ভাবতেই পারিনি আমাদের ছেলেমেয়েরা আমাদের পুজো করবে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে সেটা হল। এই যুগে দেখা যায় সন্তানদের কাছে প্রতারণা, নির্যাতনের শিকার হন বাবা-মা। সেখানে এই উদ্যোগ, ভাবাই যায় না।” খুশি খুদেরাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.