Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
বিস্ফোরণ

বিকট শব্দে মোবাইলে বিস্ফোরণ, গুরুতর জখম স্কুলছাত্র

ওই নাবালকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:৪৩

options
link
বিকট শব্দে মোবাইলে বিস্ফোরণ, গুরুতর জখম স্কুলছাত্র zoom
ছবি: প্রতীকী।

রিন্টু ব্রহ্ম, কালনা: মোবাইল ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশ নিয়ে খেলতেই ভালবাসত নাবালক। আচমকাই মোবাইলের ব্যাটারি খুলে অন্য একটি খেলনা গাড়ির মোটরের ফ্যানের সঙ্গে যুক্ত করে। বিদ্যুতও সংযোগ করে তাতে। এরপরই প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ফেটে যায় মোবাইলের ব্যাটারি। গুরুতর জখম হয় ওই নাবালক। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের কুলুট গ্রামের ওই স্কুলছাত্র বর্তমানে হাসপাতালে ভরতি রয়েছে।

[আরও পড়ুন: বিভাজনের জেরে আলাদা হেঁসেল! ধর্মের কাঁটাতারে বিভক্ত খুদেদের মিড-ডে মিলও]

বৃহস্পতিবার মিরাজুল হক মণ্ডল নামে ওই ছাত্র নিজের বাড়িতে বসেই তার বাবার মোবাইল নিয়ে খেলা করছিল। তার মা মনিরা বিবি বাড়িতে পাশেই কাজ করছিলেন। বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে ঘরে ছুটে যান। দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পরে রয়েছে ছেলে। সেখান থেকে তাকে টোটোতে চাপিয়ে মন্তেশ্বর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে তার হাত, পা ও দেহের নানা অংশে অসংখ্য ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনিরুলের আঘাত মারাত্মক না হলেও তা সারতে সময় লাগবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাতে শিশু চিকিৎসক থাকেন না, হাসপাতালে গিয়ে বিস্মিত মিমি]

মিরাজুল স্থানীয় প্রাথমিক স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। মোবাইল ও বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশ নিয়ে খেলতেই বেশি ভালবাসে সে। বাবা আনারুল হক মণ্ডল কাজের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। মা মনিরা বিবি বাড়িতেই কাজ করছিলেন। ওই সময় মিরাজুল ঘরে একাই ছিল। নাবালকের কাকা সাইফুল হক মণ্ডল বলেন, “মোবাইলের ব্যাটারি বের করে ইলেকট্রিকের তার দিয়ে নানা কেরামতি করছিল মিরাজুল। একটি খেলনা গাড়ির মোটরের ফ্যান বের করে ব্যাটারির মধ্যে লাগিয়েছিল। তখনও সেটিই ফেটে যায়। তাতেই মনিরুল গুরুতর জখম হয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.