অর্ণব দাস, বারাসত: প্রথমবারের মতো সেমিস্টার পদ্ধতিতে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হল সোমবার। পরীক্ষা শুরু ঠিক আগের দিনই আকাশ ভেঙে পড়েছিল দত্তপুকুরের ছাত্রের। মৃত্যু হয়েছিল বাবার। তা সত্ত্বেও মন শক্ত করে পরীক্ষা দিল পড়ুয়া। পরীক্ষার্থীর কথায়, “বাবার স্বপ্ন আমাকেই পূরণ করতে হবে।”
উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের নিবাধুই এলাকার বাসিন্দা ওই ছাত্র। নাম তন্ময় নাগ। ওই ছাত্রের বাবা তপন নাগ বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক রোগে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন। শেষ কয়েকদিন ভর্তি ছিলেন বারাসত মেডিক্যাল কলেজে। অসুস্থতা সত্ত্বেও ছেলেকে বরাবর পড়াশোনায় মন দিতে বলতেন তিনি। স্বপ্ন দেখতেন ছেলে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। রবিবার হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তপনবাবুর।
তার ঠিক পরের দিন, অর্থাৎ সোমবার উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা দত্তপুকুর মহেশ বিদ্যাপীঠে গেল তন্ময়।। বেরিয়ে সে বলে, “বাবা অসুস্থ ছিল। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন এভাবে মৃত্যু হবে ভাবতে পারিনি। গতকাল রাতে শেষকৃত্য সম্পন্ন করে বাড়ি ফিরে বইয়ে একটু আধটু চোখ বুলিয়ে নিয়েছিলাম। পরীক্ষা দিলাম, কারণ বাবার স্বপ্ন আমাকে পূরণ করতে হবেই। জানি না কেমন ফল হবে।” তাঁর কাকা রতন নাগ বলেন, “এই কষ্ট মুখে বলার নয়। ভাইপোকে বলেছি, আমি তোর বাবার শূন্যস্থান পূরণ করব।”
সর্বশেষ খবর
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’
-
তসরের পাঞ্জাবিতে ঠিক যেন বর! প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতা মা হতেই এবার বিয়ের পিঁড়িতে সব্যসাচী?