৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

কল্যাণ চন্দ, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদে ফের খুন শাসকদলের নেতা৷ এবার ঘটনাস্থল হরিহরপাড়ার-হুমাইপুরের মাঝে প্রদীপডাঙা৷ দুষ্কৃতীদের গুলি-বোমায় প্রাণ হারালেন হুমাইপুর অঞ্চলের তৃণমূল আহ্বায়ক সফিউল হাসান৷ শুক্রবার দুপুরে গাড়ি থেকে নামিয়ে একদল দুষ্কৃতী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি-বোমা ছোঁড়ে৷ ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই তৃণমূল নেতা৷ কে বা কারা ঘটনায় জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে৷

[ আরও পড়ুন: ৫ সদস্যের ঘর ওয়াপসি, সিউড়ির কোমা পঞ্চায়েত পুনর্দখল তৃণমূলের]

শুক্রবার দুপুরে গাড়ি করে হুমাইপুর থেকে হরিহরপাড়ায় যাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতা সফিউল হাসান৷ অভিযোগ, প্রদীপডাঙা এলাকায় মোটরবাইকে চড়ে আসা বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী সফিউলের গাড়ি ঘিরে ধরে থামায়৷তিনি গাড়ি থেকে নামলে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা৷ বোমাবাজিও করা হয়৷ গুলি এবং বোমার ঘায়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি৷ আচমকা ভরদুপুরে গুলি-বোমাবাজির শব্দে হকচকিয়ে যান স্থানীয়রা৷ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে জড়ো হন তাঁরা৷ পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালাতে চালাতে এলাকা ছাড়ে ওই দুষ্কৃতীরা৷

রক্তাক্ত অবস্থাতেই এলাকাবাসী সফিউলকে উদ্ধার করে৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে৷ তবে কিছুতেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি ওই তৃণমূল নেতাকে৷ সফিউল দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত৷ হুমাইপুর অঞ্চলের তৃণমূলের আহ্বায়ক ছিলেন তিনি৷ তাঁর স্ত্রী হুমাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান৷ পরিজনদের দাবি, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বারবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল সফিউল হাসানকে৷ তবে তাতে বিশেষ গুরুত্ব দেননি ওই তৃণমূল নেতা এবং তাঁর পরিজনেরা৷ হুমকির পালটা ব্যবস্থা নিলে হয়তো প্রাণহানি ঘটত না বলেই আক্ষেপ নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী তথা স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের৷ কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ খুনের ঘটনার পর থেকে থমথমে গোটা গ্রাম৷ চাপা আতঙ্ক যেন গ্রাস করেছে স্থানীয়দের৷ পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে এলাকায়  বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে৷ 

[ আরও পড়ুন: দলেরই কর্মীর মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার বসিরহাটের বিজেপি নেতা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং