বিক্রম রায়, কোচবিহার: ফের রাজনৈতিক হিংসার বলি এক তৃণমূল (TMC) কর্মী। অভিযোগ, বুধবার রাতে বিজেপি কর্মীরা কুপিয়ে খুন করেছে ওই ব্যক্তিকে। আক্রমণ করা হয়েছে ওই তৃণমূল কর্মীর দাদা-বৌদিকেও। বর্তমানে কোচবিহার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। যদিও দলীয় কর্মীদের ফাঁসানো হচ্ছে বলেই দাবি কোচবিহার বিজেপির সভাপতির।
জানা গিয়েছে, কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের হাজরাহাটের বালাসির বাসিন্দা ওই তৃণমূল কর্মীর নাম গণেশ সরকার। বুধবার রাতে বাড়িতেই ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় আচমকা তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, এলোপাথারি তারা ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে গণেশকে। বিষয়টি নজরে পড়তে ওই তৃণমূল কর্মীর দাদা-বৌদি তাঁকে বাঁচাতে গেলে তাঁদেরও আক্রমণ করে অভিযুক্তরা। তাঁদের আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসতেই এলাকা ছাড়ে অভিযুক্তরা। তবে ততক্ষণে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তিনজনই। এরপরই প্রতিবেশীরাই তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় মাথাভাঙা হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা গণেশকে মৃত বলে ঘোষণা করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কোচবিহার মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে মৃতের দাদা ও বৌদিকে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁদের।
[আরও পড়ুন: বিশ্বকর্মা পুজোয় জৌলুসহীন শিল্পাঞ্চল, কোভিডবিধি মেনে নমো নমো করে চলছে আরাধনা]
এপ্রসঙ্গে কোচবিহারের তৃণমূল সভাপতি বলেন, “গণেশ সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বিজেপির তরফে একাধিকবার তাঁকে দলত্যাগের পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গণেশ কোনওদিনই দলত্যাগের কথা ভাবেননি। সেই কারণেই বিজেপি কর্মীরা পরিকল্পনামাফির ওর উপর হামলা করল।” যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতির কথায়, জমি বিবাদের জেরেই এই ঘটনা। রাজনৈতিক ফায়দা পেতেই শাসকদল এতে রাজনীতির রং লাগাচ্ছে।