Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
করোনা

করোনাতঙ্কে মুখ ফেরাল সবাই, PPE পরে জ্বরের রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন তৃণমূল নেতা

ভয় কাটিয়ে সকলকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১৩:৪৯

options
link
করোনাতঙ্কে মুখ ফেরাল সবাই, PPE পরে জ্বরের রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন তৃণমূল নেতা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Corona Virus) আক্রান্ত ও উপসর্গযুক্তদের নিয়ে মানুষের মনে ভয়ের অন্ত নেই। জ্বর-সর্দি হয়েছে শুনলেই প্রতিবেশী এমনকী পরিজনরাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মানবিকতার নজির গড়লেন ঝাড়গ্রামের (Jhargram) এক তৃণমূল নেতা। পিপিই পড়ে নিজেই করোনার উপসর্গযুক্ত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে পৌঁছলেন যুব তৃণমূল সভাপতি সত্যকাম পট্টনায়েক।

জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের সিজুয়া গ্রামে বাসিন্দা ওই ব্যক্তি। কিন্তু আতঙ্কের কারণে কেউই পাশে দাঁড়াননি তাঁর। উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও কেউ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া বা নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থাও করেননি। এই খবর কানে যাওয়া মাত্রই পদক্ষেপ নেন গোপীবল্লভপুরের ১ ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি সত্যকাম পট্টনায়েক। কারও অপেক্ষা না করে নিজেই পিপিই পড়ে বাইক চালিয়ে চলে যান ওই ব্যক্তির বাড়িতে। তিনিই অসুস্থ ব্যক্তিকে নিয়ে যান গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই ভরতি রয়েছেন জ্বরের ওই রোগী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা রোগীর দেহ সৎকার ঘিরে পুলিশ-জনতা তর্কাতর্কি, উত্তপ্ত চুঁচুড়া]

এবিষয়ে সত্যকাম পট্টনায়েক বলেন, “ঝাড়গ্রামের সিজুয়া গ্রামের বহু মানুষই পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই ব্যক্তির জ্বর হয়েছে শুনেই আমি পিপিই (PPE) জোগাড় করে তাঁর কাছে যাই। হাসপাতালে ভরতি করি। এটা আমার দায়িত্ব।” পাশাপাশি, স্থানীয়দেরও ভয় কাটিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে পানিহাটির (Panihati) এক বিদায়ী কাউন্সিলর করোনা আক্রান্ত মহিলাকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। উল্লেখ্য, রাজ্য জুড়ে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে করোনার থাবা। সকলের মনে জাঁকিয়ে বসছে সংক্রমণের ভয়। আর এই ভয়ের কারণেই বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে করোনা আক্রান্ত ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একঘরে করে দেওয়া হচ্ছে আক্রান্তদের।   

[আরও পড়ুন: ‘আমি যাব আর FIR হবে না, এটা হয় নাকি!’ কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.