Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
অ্যাসিড হামলা

জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জের, অ্যাসিড হামলায় গুরুতর জখম এক মহিলা

অ্যাসিড হামলার ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০, ১৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০, ১৯:২৯

options
link
জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জের, অ্যাসিড হামলায় গুরুতর জখম এক মহিলা zoom
ছবি: প্রতীকী

অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে এক মহিলার উপর অ্যাসিড হামলা। হাওড়ার থাড়সা হরিসভাতলার ঘটনা। মুখ, গলা-সহ শরীরে একাধিক ক্ষত তৈরি হয়েছে তাঁর। জেলা হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে ওই মহিলার। কে বা কারা এই কাণ্ড ঘটাল, তা খতিয়ে দেখছে জগাছা থানার পুলিশ।

পুকুরের মালিকানা কার, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই হাওড়ার জগাছা থানার থাড়সা হরিসভাতলার বাসিন্দা দুই পরিবারের বিবাদ রয়েছে। জমি বিবাদের জল গড়িয়েছে আদালতেও। সোমবার সেই বিবাদই ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এদিন সকালে জমি বিবাদে জড়িত এক মহিলাকে লক্ষ্য করে আরেকপক্ষের লোকজনেরা অ্যাসিড ছোঁড়ে। মুখ, হাত, গলা-সহ তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে অ্যাসিড লাগে। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন ওই মহিলা। পরিজনেরা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানান, অ্যাসিড আক্রান্ত হয়েছেন ওই মহিলা। তাঁর অবস্থা যথেষ্ট আশঙ্কাজনক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বার্ধক্য ভাতার দাবিতে মেয়রকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ, শিলিগুড়ি পুরনিগমে ধুন্ধুমার]

এই ঘটনায় জগাছা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিবাদমান ওই পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আঙুল তুলেছেন তাঁরা। পুলিশ অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কেউই গ্রেপ্তার হয়নি।

অ্যাসিড হামলায় রাশ টানতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। তবে তা সত্ত্বেও অ্যাসিড হামলা যে কোনওভাবে রোখা সম্ভব হচ্ছে না, তাই যেন হাওড়ার জগাছার এই ঘটনা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.