৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার খেয়াদহে।  ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, স্বামীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় খুন করা হয়েছে ওই বধূকে। মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: নুুন-ভাতের পর বিস্কুট, মিড ডে মিলে এই খেয়েই বাড়ি ফিরছে পড়ুয়ারা]

জানা গিয়েছে, বছর চারেক আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন বিপ্লব ও জবা নামে ওই দম্পতি। বিয়ের পর বাড়ি ফিরে এলে জবার পরিবারের তরফে তাঁদের মেনে নেন। এমনকী বিপ্লব ও তাঁর পরিবারকে নগদ ত্রিশ হাজার টাকা ও বেশ কিছু সোনার গয়না দেওয়া হয় যৌতুক হিসেবে। প্রথম দিকে দিব্যি চলছিল সংসার। অভিযোগ, কিছুদিন পর থেকেই টাকার জন্য জবার উপর চাপ দিতে শুরু করে বিপ্লব ও তার পরিবারের সদস্যরা। টাকা আনতে রাজি না হলে জবাকে মারধর করা হত বলে অভিযোগ। এমনকী খেতেও দেওয়া হত না তাঁকে। অসুস্থতায় মিলত না চিকিৎসাও। এরই মধ্যে এক মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বিপ্লব। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রতিবাদ করেন জবা। এরপরই বাড়তে থাকে অত্যাচারের মাত্রা। পরে বুধবার রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে দেহটি।

মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে খুন করা হয়েছে জবাকে। পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। মৃতার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ইতিমধ্যেই মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। 

[আরও পড়ুন: ‘দিদিকে বলো’কর্মসূচির প্রচারে বিক্ষোভে আরাবুল-রেজ্জাক]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং