Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
গণপিটুনি

গণপিটুনি রোধে রাস্তায় নেমে প্রচার, পুরুলিয়ার যুবকের পাশে পুলিশ

গ্রামের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১০:৩৭

options
link
গণপিটুনি রোধে রাস্তায় নেমে প্রচার, পুরুলিয়ার যুবকের পাশে পুলিশ zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: হঠাৎ করেই ঝাড়খন্ড লাগোয়া প্রান্তিক জেলা পুরুলিয়াতেও ‘ছেলেধরা’ গুজব যেন চেপে বসেছে। কোনও কিছু না জেনে না বুঝেই চলছে গণপিটুনি। বাদ যাচ্ছেন না পথভোলা, মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষজনও। আইন করেও যেন রোখা যাচ্ছে না গণপিটুনি। তাই পুরুলিয়ার মফস্বল থানার রুদড়া গ্রামের বাসিন্দা সমীরণ পাণ্ডে ‘ছেলেধরা’ গুজবে গণপিটুনি রোধে প্রচার করে যাচ্ছেন।

[আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্ত-নিম্নচাপের জেরে দিনভর ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা, ব্যাহত পুজোর প্রস্তুতি]

পাড়ায়-পাড়ায়, মোড়ে-মোড়ে গল্প করার ছলে কিংবা কখনো মাইক হাতে বাজার–ঘাটে বার্তা দিচ্ছেন সমীরণ। বছর একত্রিশের যুবকের এমন কাজে সঙ্গী হচ্ছে পুলিশও। একাধিক জায়গায় পুরুলিয়া জেলা পুলিশ ও সমীরণের যৌথ উদ্যোগে ‘ছেলেধরা’ গুজব ঠেকাতে প্রচার চলছে। সেই সঙ্গে ‘ছেলেধরা’ ভীতি কাটাতে খুদে পড়ুয়াদের সঙ্গেও আলাপচারিতায় মেতে উঠছেন তিনি। অভয় দিচ্ছেন তাঁদের। চিরকুটে লিখে নিজেই বিলি করছেন থানা-সহ পুলিশ আধিকারিকদের মোবাইল নম্বর।

Advertisement

Samiran-Pandey

পুরুলিয়া-সহ প্রায় সারা রাজ্যেই ‘ছেলেধরা’ গুজবে যখন আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটায় হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এই গুজব ঠেকাতে সমীরণের প্রচারকে উদাহরণ হিসাবেই দেখছে পুলিশ প্রশাসন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়ার মফস্বল থানা সমীরণকে নিয়ে রুদড়া গ্রামে সচেতনতা শিবির করে। সাধারণ মানুষকে তিনি বলেন, ‘ছেলেধরা’ বলে কিছু নেই। এসবই গুজব। তাই কখনই গুজবে কান দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।

[আরও পড়ুন: ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির জের, মানসিক ভারসাম্যহীন সন্তানকে বেঁধে রাখল মা]

কিন্তু কেন হঠাৎ এভাবে পথেঘাটে ঘুরে গণপিটুনি রোধে প্রচার শুরু করলেন সমীরণ? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কী করব বলুন তো? একেবারে হঠাৎ করেই এই জেলায় আবারও যেভাবে ‘ছেলেধরা’ গুজব থাবা বসাল তাতে সত্যিই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। এমন ভাবে মারধর, আক্রমণ চলছে। ভাবলেই শিউরে উঠছি। তাই নিজের মতো করেই গুজব ঠেকাতে প্রচার শুরু করেছি।” ফি দিন সকাল-বিকাল সাইকেল নিয়ে গ্রামের পর গ্রাম ঘুরছেন তিনি। গত সোমবার রাতে তার গ্রামেই ‘ছেলেধরা’ গুজবে আচমকা উত্তাল হয়ে ওঠে। হাতে লাঠিসোটা, রড নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সকলেই। বহু কাঠখড় পুড়িয়ে তবে তাদের বোঝাতে পারেন তিনি। তবে এই সামজিক কাজেও বাধার মুখে পড়ছেন বাংলায় স্নাতকোত্তর এই যুবক। তবে তাতে আমল না দিয়ে গুজবের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন সমীরণ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.