অর্ণব দাস, বারাসত: কালীপুজোর পরের দিন, মঙ্গলবার দুপুরে নৈহাটি বড়মার মন্দিরে পুজো দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুপুরে সেখানে পৌঁছন তিনি। প্রথমে বড়মার প্রতিমার সামনে মাটিতে বসে বৈদিক মন্ত্রে পুজো ও পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে প্রদীপ দেখিয়ে আরতি সারেন তিনি। এরপর অভিষেক প্রবেশ করেন বড়মার মন্দিরে। সঙ্গে ছিলেন বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, বিধায়ক নির্মল ঘোষ, সনৎ দে, সুবোধ অধিকারী, সোমনাথ শ্যাম, মঞ্জু বসু, রফিকুর রহমান-সহ বড় কালী পূজার সমিতির সদস্যরা।
মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত কষ্টিপাথরের বড়মাকে তুঁতে রংয়ের বেনারসি দিয়ে বিশেষ পূজায় অংশ নেন অভিষেক। নিজের নাম গোত্র বলে অঞ্জলি দেন তিনি। কালীপুজোর পরের দিন। স্বভাবতই এদিন নৈহাটিতে বড়মার মন্দিরে ছিল ভক্তদের ভিড়। এর মধ্যেই প্রথমে মন্দিরে পরে মণ্ডপে পৌঁছন অভিষেক। তার মাঝেই সারেন জনসংযোগ। দু’পাশে দাঁড়ানো মানুষের উদ্দেশ্য কখনও অভিষেক হাত নাড়তে দেখা যায়, আবার কখনও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুর স্নেহের হাত দেন।

এদিন অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন বারাকপুরের তৃণমূলের সাংসদ পার্থ ভৌমিক-সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। সোমবার অর্থাৎ কালীপুজোর দিন বিকেলে লেক কালীবাড়িতে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে রাজ্যবাসীর জন্য সুস্থতা ও সৌভাগ্য কামনা করেন তিনি। দেন পুজোও। এরপর লেক কালীবাড়ি থেকে থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান কালীঘাটের বাড়িতে। সোমবার ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে কালীপুজো। সেখানেই শ্যামার আরাধনায় মগ্ন হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

বলে রাখা প্রয়োজন, দুর্গাপুজোর সময়েও বিভিন্ন মণ্ডপে মণ্ডপ ঘুরতে দেখা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কখনও পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ফুচকা খাওয়া আবার কখনও তাঁদের হাতে উপহার তুলে দিয়ে দেখা যায় তাঁকে। এবারও কালীপুজোয় লেক কালীবাড়ি, নৈহাটির বড়মাকে পুজো দিলেন অভিষেক। এর আগে ২০২৩ সালে, বড়মার মন্দিরটি নতুন করে স্থাপনের পর উদ্বোধনের সময় সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর ফের আজ মঙ্গলবার সেখানে গেলেন।
সর্বশেষ খবর
-
শান্তিনিকেতনে অরবিন্দ নিলয়ে বাণিজ্যিক নির্মাণ? বিতর্কের মাঝেই বার্তা ট্রাস্টের
-
কালীঘাটের বৈঠকে কুণাল-অভিষেক তীব্র বাদানুবাদ, পরিস্থিতি সামাল দিলেন মমতা!
-
খুলছে হরমুজ, রবিতেই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি আমেরিকার, বড় ঘোষণা ট্রাম্পের
-
ড্রাগনের ‘উরুভঙ্গে’ চিন সাগরে ওরা কারা? গুপ্তচর কচ্ছপ ও মাছেদের হানাদারিতে শঙ্কিত বেজিং
-
শহর হবে জঞ্জালমুক্ত, সাফাই কর্মসূচির সূচনায় সোমে কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু