সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা ভেঙে আলাদা রাজ্য করা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুক বিজেপি। কোচবিহারের সভা থেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ও বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, এক মঞ্চে আসুন। সেখান থেকে বলুন আপনারা উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে চান। অভিষেকের দাবি, বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতারা কোনও রাজ্য ভাঙার পক্ষে নয়। বরং এখানকার কিছু নেতা রাজনৈতিক স্বার্থে রাজ্য়ভাগের ভাবনা উসকে দিচ্ছেন।
কোচবিহারের মাথাভাঙ্গার কলেজ ময়দানের সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষের মধ্যে বাংলা ভাগের বিষ ঢোকাতে চেয়েছিল বিজেপি। রাজনৈতিক স্বার্থ পূর্ণ করতে নির্লজ্জভাবে মাঠে নেমেছিল। এরপরই অভিষেকের চ্য়ালেঞ্জ ছোঁড়েন, “যারা বলে উত্তরবঙ্গ আলাদা রাজ্য চাই, কেন্দ্রশাসিত এলাকা চাই। তাদের বলছি, ২৪ ঘণ্টা নাও, ৪৮ ঘণ্টা নাও, ৯৬ ঘণ্টা নাও, ১ সপ্তাহ কিংবা ১ মাস সময় নাও তবে আলাদা উত্তরবঙ্গ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করুন।”
[আরও পড়ুন: নাগপুর টেস্টে জয়ের দিনই অস্বস্তি, নিয়ম ভাঙায় জাদেজাকে শাস্তি দিল আইসিসি]
শুধু তাই নয়, তাঁর আরও সংযোজন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভারপ্রাপ্ত যে সমস্ত নেতা রয়েছেন দিলীপ ঘোষরা আর সর্বভারতীয় নেতা নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা তারা এক মঞ্চে আসুন, এসে বলুক উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য করব। পরদিন থেকে আমি মুখ দেখাব না। তাঁর দাবি, বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা, অসমের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে ভেঙে নতুন এলাকা তৈরির বিপক্ষে। এখানে কিছু নেতা রাজনৈতিক স্বার্থে সুড়সুড়ি দিয়ে রাজ্য়ভাগের ভাবনা উসকে দিচ্ছেন। অভিষেকের কথায়, “উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ, গৌড়বঙ্গ হয় না। একটাই বঙ্গ পশ্চিমবঙ্গ।”
[আরও পড়ুন: তাঁর গড়ে শুভেন্দুর সভা, অথচ থাকছেন না দুধকুমার মণ্ডল!]
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য