Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

ঠাকুরবাড়িতে পুজো অভিষেকের, তাল ঠুকলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ‘শান্ত’ শান্তনু

অভিষেকের পুজো চলাকালীন নিজের বাড়িতেই ছিলেন বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২১:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ২১:২৮

options
link
ঠাকুরবাড়িতে পুজো অভিষেকের, তাল ঠুকলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ‘শান্ত’ শান্তনু zoom
ঠাকুরবাড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (নিজস্ব ছবি)
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ঠাকুরনগরে গিয়ে ঠাকুরবাড়িতে পুজো দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকাল থেকে তাঁর সফর ঘিরে উত্তপ্ত ছিল ঠাকুরবাড়ি। কেন্দ্রীয়বাহিনীর নিরাপত্তার মোড়কে ঘিরে ফেলা হয়। পালটা পুলিশের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। যা নিয়ে একেবারে টানটান উত্তেজনা ছিল। কিন্তু শান্তিপূর্ণভাবেই এদিন ঠাকুরবাড়িতে পুজো দেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। পুজো দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, ”সবার মন্দিরে আসা অধিকার আছে। আমরা শান্তি সম্প্রতিতে বিশ্বাস করি। কোনও জোর জবরদস্তি, গা জোয়ারিতে বিশ্বাস করি না।” তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে যেতেই গোবর জল দিয়ে মন্দির চত্বর ধুয়ে পরিষ্কার করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর। তবে মন্দিরে অভিষেকের পুজো চলাকালীন নিজের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ‘শান্ত’ই ছিলেন তিনি!

খসড়া ভোটার তালিকায় একাধিক মতুয়ার নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে সেখানকার মানুষজন আতঙ্কিত। এর মধ্যে শান্তনু ঠাকুরের একটি বক্তব্যে সেখানকার মানুষজনের মধ্যে তৈরি হয়েছে সংশয়। মতুয়া এবং উদ্বাস্তু পরিবারের পাশে থাকতে এদিন ঠাকুরবাড়ি যান। তার আগে তাহেরপুরের সভা থেকে এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান। অভিষেক বলেন, “ওরা বলেছিল অনেক কিছু দেবে। আজ আওয়াজ তুলতে হবে হয় নিঃর্শত নাগরিকত্ব, নয় মোদি গদি ছাড়ো।” শুধু তাই নয়, বিজেপি ইডি, সিবিআই নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি চরিতার্থ করতে নেমেছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। 

Advertisement

সভা শেষ করেই গাইঘাটার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শনে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় মা’র প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। মন্দির থেকে বেরিয়ে সাংসদ বলেন, ”২০২৩ সালে আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তখনই বাইরে দাঁড়িয়ে মনে মনে ঠাকুরের কাছের প্রার্থনা করেছিলাম এর জবাব তুমি দেবে। সেই সময় যে আটকে ছিল, সেই পঞ্চায়েতে বুথে হেরেছে। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি অবারিত দ্বার। যে কেউ যখন খুশি আসতে পারে।”

কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্দির ছাড়তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্লোগান দিতে শুরু করেন শান্তনু ঠাকুর অনুগামীরা। শুধু তাই নয়, জল এনে ধোঁয়া হয় মন্দির চত্বর। এমনকী মন্দির সংলগ্ন রাস্তাও গোবর জলে ধুয়ে পরিস্কার করা হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.