Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Hooghly

গার্ডেনরিচ কাণ্ডের ছায়া কোন্নগরে, আবাসনের কাজ চলাকালীন পাঁচিল চাপা পড়ে মৃত ২ শ্রমিক

ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৪, ১২:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৪, ১২:৫৩

options
link
গার্ডেনরিচ কাণ্ডের ছায়া কোন্নগরে, আবাসনের কাজ চলাকালীন পাঁচিল চাপা পড়ে মৃত ২ শ্রমিক zoom

সুমন করাতি, হুগলি: গার্ডেনরিচ (Garden Reach) কাণ্ডের ছায়া হুগলির কোন্নগরে। পাঁচিল ধসে মৃত্যু হল ২ শ্রমিকের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

জানা গিয়েছে, হুগলির নবগ্রাম পঞ্চায়েতের নবচক্র এলাকায় একটি পুরনো বাড়ি ভেঙে আবাসন তৈরির কাজ চলছিল। অন্যান্যদিনের মতোই বৃহ্স্পতিবার সকালে ভিতের কাজ চলছিল। এদিকে পাশেই একটি পাঁচিল ছিল। সেটিকে গার্ড না করেই কাজ করা হচ্ছিল বলে খবর। ভিতের কাজ করার সময় আচমকাই ভেঙে হুড়মুড়িয়ে পড়ে পাঁচিলটি। আহত হন ৩ শ্রমিক। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই প্রথমে শ্যামল দাস নামে এক শ্রমিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত! ফব’কে বিঁধে সেলিমের তোপ, ‘বেশি কথা বলবেন না’]

বাকি ২ জনের চিকিৎসা চলছিল উত্তরপাড়া হাসপাতালে। পরবর্তীতে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। চিকিৎসাধীন ১ যুবক। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনওরকম নিরাপত্তা ছাড়াই কাজ চলছিল। পুরনো পাঁচিল গার্ড না করেই কাজ করা হচ্ছিল। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে কানাইপুর ফাঁড়ির পুলিশ। প্রসঙ্গত, গার্ডেনরিচ কাণ্ডের পর এখনও একমাসও পেরোয়নি। অভিশপ্ত সেই রাতের স্মৃতি এখনও টাটকা। মুহূর্তে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ আবাসন। চাপা পড়ে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। একরাতে বদলে গিয়ে বহু মানুষের জীবন। সেই ঘটনার ছায়া এবার কোন্নগরে।  

[আরও পড়ুন: আপনাদের সাক্ষাৎ পাওয়া আল্লার মেহেরবানি, রেড রোডের নমাজ কোনওদিন মিস করব না: মমতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.