দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: বাঘের আতঙ্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মৈপীঠবাসীর। গভীর জঙ্গলে ফিরেও বারবার লোকালয়ের আশেপাশে চলে আসছে দক্ষিণরায়। সোমবার রাতে মৈপীঠেরই গুড়গুড়িয়া ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের গোড়েরচকে ফের মেলে পায়ের ছাপ। ছড়ায় আতঙ্ক। মঙ্গলবার সকালে বাঘবন্দি করতে ময়দানে নেমেছে বনদপ্তরের ৪৫ জনের টিম। ঘেরা হয়েছে জঙ্গল। পাতা হয়েছে খাঁচা।

৬ জানুয়ারি প্রথমবার বাঘের পায়ের ছাপ মিলেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির মৈপীঠ এলাকায়। বাঘবন্দি করতে ময়দানে নামে বনদপ্তরের কর্মীরা। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। দিনদুয়েক পর নদীর পাড়ে মেলে বাঘের পায়ের ছাপ। এরপরই স্বস্তি পেয়েছিলেন মৈপীঠবাসীরা। কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। রাত পেরতে না পেরতে ফের লোকালয় সংলগ্ন ম্য়ানগ্রোভে মেলে বাঘের পায়ের ছাপ। সেবারও ফিরে গিয়েছিল হলুদ ডোরাকাটা। পরবর্তীতে গতকাল অর্থাৎ সোমবার রাতে ফের লোকালয়ের পাশের জঙ্গলে ফিরে আসে দক্ষিণরায়। স্থানীয়রা বাঘটির উপস্থিতি টের পেয়েছেন বলে দাবি করেন। জানান, গ্রামের একটি মৃত গরুকে জঙ্গলে ফেলা হয়েছিল। সেটি নাকি টেনে নিয়ে যায় বাঘ। রাতেই খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরে। তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ করেন কর্মীরা।

মঙ্গলবার সকালে মৈপীঠের ওই এলাকায় পৌঁছেছেন বনদপ্তরের ৪৫ জন আধিকারিক। তাঁদের কাছে রয়েছে বিশেষ ক্যামেরা। সকালেই জাল দিয়ে ঘেরা হয়েছে জঙ্গল। লোকালয় সংলগ্ন যে ম্যানগ্রোভে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাঘ, সেখানে পাতা হয়েছে খাঁতা। স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে বলে চলছে মাইকিং। সব মিলিয়ে বাঘ ‘বন্দি’ করতে মরিয়া বনদপ্তর। এদিকে প্রবল আতঙ্কে স্থানীয়রা।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়