মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: হাওড়ার উলুবেড়িয়ার পূর্ব তপনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা ৪। তাঁদের সকলকেই বিএলও হিসাবে নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই টিফিনের পর স্কুলছুটি দিয়ে শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এনুমারেশন ফর্ম বিলি করতে। এদিকে ডিসেম্বরে ফাইনাল পরীক্ষা। কীভাবে সিলেবাস শেষ হবে তা নিয়ে উদ্বেগে শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্যজুড়ে এসআইআর-এর কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও বিএলও হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এখন ফর্ম বিলি করছেন তাঁরা। উলুবেড়িয়ার পূর্ব তপনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়ার সংখ্যা ১০২। ওই স্কুলের মোট চারজন শিক্ষক-শিক্ষিকার সকলেই বিএলও’র দায়িত্বে। এতে পঠন-পাঠনের পাশাপাশি মিড ডে মিলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। কারণ, প্রশাসনের নির্দেশে স্কুল হাফছুটি দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ফর্ম হাতে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিক থেকে শুরু হবে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা। পরীক্ষার আগে কীভাবে সিলেবাস শেষ হবে তা বুঝে উঠতে পারছেন না শিক্ষকরাও।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমাদের চারজনকেই বিএলওর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই টিফিন পর্যন্ত ক্লাস করে স্কুল ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সিলেবাস নিয়ে চিন্তায় আছি।” স্কুলের অন্য একজন শিক্ষিকা বলেন,” বিএলওর কাজের জন্য পঠন-পাঠনে সমস্যা হচ্ছে।” এক অভিভাবিক বলেন, “টিফিনের পর ছুটি দেওয়ার কারণে ক্লাস কম হচ্ছে। এতে পরীক্ষার আগে সমস্যায় পড়বে পড়ুয়ারা।” তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী জানায়, শিক্ষকরা তাদের জানিয়েছে ভোটের ডিউটির জন্য ক্লাস কম হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
পুজোর আগেই বঙ্গে শিল্পের জোয়ার! হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির বিনিয়োগ, আসছে এলএন্ডটিও
-
‘বিকিনি পরে ভাইকে রাখি পরানো জরুরি?’ পোশাক বিতর্কে কৃতীকে তোপ কঙ্গনার
-
আমদানিকৃত চিনি দু’মাসের মধ্যে বিক্রি করতে হবে, শর্করার কালোবাজারি রুখতে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
-
চিনির মূল্যবৃদ্ধি রুখতে দ্রুত ‘অ্যাকশন’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরদিনই বাজারে হানা ইবির
-
ডার্বির পরই কাদাপাড়ায় মার খাচ্ছেন ভক্তরা! ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি ইস্টবেঙ্গলের