Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

শাহাজাহানহীন সন্দেশখালিতেও চলছে জমি দখল! এবার তদন্তকারী সংস্থার নজরে প্রফুল্ল-কমলরা

বেআইনিভাবে জমির রেকর্ড তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১৭:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫, ১৭:২৪

options
link
শাহাজাহানহীন সন্দেশখালিতেও চলছে জমি দখল! এবার তদন্তকারী সংস্থার নজরে প্রফুল্ল-কমলরা zoom

গোবিন্দ রায়: শেখ শাজাহান না থাকলেও সন্দেশখালিতে জমি দখল জারি!  বেআইনিভাবে রেকর্ড তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এক পুলিশ কর্মীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এবার ইডি-সিবিআইয়ের নজরে সন্দেশখালির নেতা প্রফুল্ল নস্কর, কলম সরদাররা।

সন্দেশখালির দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাজাহান, শিবু হাজরা-সহ একাধিকের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, বেআইনিভাবে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে জনস্বার্থ মামলায় ইডি-সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন। বর্তমানে জেলবন্দি তাঁরা। সম্প্রতি জামিন চেয়েও হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় খালি হাতে ফিরতে হয়েছে অভিযুক্তদের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি তদন্ত চলছে, এই মুহূর্তে এরা জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত হবে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নতুন করে প্রফুল্ল, কমল-সহ জমি দুর্নীতিতে উঠে এল একাধিক নাম। এনিয়ে সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সেরকম অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, সন্দেশখালি থানার সুখদোয়ানি মৌজার ৩.৩৪ শতক বা ১০ বিঘা ওই দখল হওয়া জমির মালিক এক পুলিশ পরিবার। মালিক মৃত যাদবচন্দ্র সরকারের ছেলে-মেয়েরা বসিরহাটে থাকেন। অভিযোগ, সেই সুযোগে ওই জমির দখল নেয় মালতি সরদার, রেনুপদ সরদাররা। শুধু তাই নয়, অভিযোগ, মালিকপক্ষের অনুপস্থিতিতে বেআইনিভাবে স্থানীয় ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসে কর্মরত প্রমীলা সরদারকে দিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে ওই জমিতে (৬ বিঘে অংশ) বেআইনি বর্গা রেকর্ড করা হয়েছে। যেখানে স্থানীয় নেতা কমল সরদার, প্রফুল্ল নস্করদের প্রভাব রয়েছে বলেও সিবিআইয়ের দাবি। এনিয়ে এলআরটিটির নির্দেশও রয়েছে।

নিম্ন আদালত স্থানীয় ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক (বিএলএলআরও) কে ২০২২ সালে সংশ্লিষ্ট জমির সমস্যা সমাধানে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু তারপর তিন বছর কাটলেও কোনও সমাধান হয়নি। এখানেই মালিক পক্ষ প্রশ্ন তুলেছে, যে জমি দীর্ঘ কয়েক বছর চাষ হয় না সেই জমিতে বর্গা রেকর্ড হল কীভাবে? একই সঙ্গে মালিক পক্ষকে পক্ষভুক্ত না করে তাদের অনুপস্থিতিতে কীভাবে রেকর্ড হল, তা নিয়েও প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.