Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Dhupguri

পালিয়ে বিয়ে করেছে মেয়ে, রাগে পাত্রের বাবাকে পিটিয়ে মারল যুবতীর পরিবার!

পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট, বচসা, তর্কাতর্কি কিংবা সামান্য ধাক্কাধাক্কি হলেও হামলা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ২১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ২১:০৮

options
link
পালিয়ে বিয়ে করেছে মেয়ে, রাগে পাত্রের বাবাকে পিটিয়ে মারল যুবতীর পরিবার! zoom
Advertisement

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: পালিয়ে বিয়ে করেছে মেয়ে। রাগে পাত্রের বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ যুবতীর পরিবারের বিরুদ্ধে। নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন। অভিযোগ, অভিযুক্তদের পরিবর্তে মৃতের পরিবারের ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের দাবি, বউমাকে নিতে আসা মেয়ের বাড়ির পরিবারকে বাধা দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ছেলের বাবা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্রের খবর, ধূপগুড়ি ব্লকের অন্তর্গত সাকোয়াঝোরা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের জোৎস্নাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুরারি মজুমদারের ছেলে সুমিত মজুমদার। গত ১৫ই জানুয়ারি পাশের ব্লক ফালাকাটা ধনিরামপুর ১ নম্বরের এক যুবতীর সঙ্গে পালিয়ে যান ওই যুবক। তাঁরা মন্দিরে বিয়ে করে। পরিবার সম্পর্কে মেনে নেবে না বুঝতে পেরেই তাঁরা বাড়ি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে বিয়ের খবর পেয়েই পাত্রীর পরিবারের তরফে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এমনকী ছেলের বাড়িতে গিয়ে হামলাও করে তাঁরা। এরপর ছেলের পরিবারের সদস্যরা খোঁজ খবর করতে শুরু করে যে যুগল কোথায়। ধূপগুড়ি থানার পুলিশের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলে। সুমিতের খোঁজ মিলতেই নবদম্পতিকে নিয়ে জলপাইগুড়ি আদালতের দ্বারস্থ হন পরিবারের সদস্যরা। বিচারকের সামনে দুজনে গোপন জবানবন্দি দেন। জানান, তাঁরা প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজেদের ইচ্ছেতেই বিয়ে করেছেন। আদালত এরপর তাদের আগাম জামিন মঞ্জুর করে।

Advertisement

খবর পেয়েই মেয়ের বাড়ির লোকেরা আদালতে গিয়ে হাজির হয়। মেয়েকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। লাভ না হওয়ায় আরও ক্ষেপে যায় তাঁরা। বৃহস্পতিবার রাতে সুমিতের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় পাত্রীর পরিবার। বেধড়ক মারধর করা হয় পরিবারের সদস্যদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পাননি সাতমাসের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও। হামলায় গুরুতর আহত হন সুমিতের বাবা মুরারি মজুমদার। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ধূপগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। এরপর সেখান থেকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তবে পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট, বচসা, তর্কাতর্কি কিংবা সামান‌্য ধাক্কাধাক্কি হলেও হামলা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। কিন্তু ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধূপগুড়ি থানার আইসি অনিন্দ্য ভট্টাচার্য। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.