Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের অন্যতম মূলচক্রী

হাজিবুল্লাহ নামে জেএমবি জঙ্গি জড়িত ছিল বিস্ফোরক পাচারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৮, ১২:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৮, ১২:০৯

options
link
ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের অন্যতম মূলচক্রী zoom

অর্ণব আইচ: রাজ্যে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযানে নেমে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। সোমবার ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এক কুখ্যাত জেএমবি জঙ্গিকে। বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের অন্যতম মূলচক্রী ধৃত।

[বুদ্ধগয়ায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় ৫ অভিযুক্তর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, হুগলিতে বেশ কয়েকদিন ধরেই অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। খবর ছিল জেলায় জেলায় কাজ করছে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জেএমবি-র একটি মডিউল। এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ব্যান্ডেল স্টেশনে জাল পাতে পুলিশ। টিকিট কাউন্টারের সামনে থেকে হাজিবুল্লাহ নামে ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বয়স ৫৭ বছর। বিপদের আশঙ্কা করে ভিন রাজ্যে পালানোর মতলব করছিল সে। ধৃত জঙ্গির বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলায়। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি বিস্ফোরণ ঘটে বুদ্ধগয়ায়। তদন্তে প্রকাশ্যে আসে জামাতযোগ। তারপরই পরপর অভিযান চলে পশ্চিমবঙ্গে। গ্রেপ্তার করা হয় বেশ কয়েকজন জেএমবি জঙ্গিকে। মায়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের বদলা নিতেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে জানতে পারেন তদন্তকারীরা।

বিস্ফোরণের সময় সেখানে মজুত ছিলেন তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামা। তারপরই অভিযান শুরু করে পুলিশ। বিস্ফোরণে জড়িত চারজন জামাত জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে নিও জামাত-উল-মুজাহিদিন (নিও জেএমবি)। গোয়েন্দারা জানতে পারেন, গত ছয় মাস ধরে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছিল জেএমবি। তাদের প্রশিক্ষণ চলছিল মুর্শিদাবাদে। সেখানেই ঘাঁটি গেড়েছিল জেএমবি-র প্রধান সালাউদ্দিন সালেহিন। ধুলিয়ানে অনুষ্ঠান ওই সভাতেই যুবক ও তরুণদের মগজধোলাই করা হচ্ছিল। ‘মডিউল’ তৈরি করে তার আওতায় সাতটি ইউনিটও গড়া হয়েছিল। প্রত্যেকটি ইউনিটের জন্য ১৮ থেকে ৩১ বছর বয়সের তরুণ ও যুবকদের নিয়োগ করেছিল জঙ্গিরা। সেই ইউনিটের মাধ্যমেই বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথমেই ২০১৩ সালের বুদ্ধগয়ায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় ৫ অভিযুক্তর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

[এসটিএফ-এর জালে বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জামাত জঙ্গি ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.