সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের ডিসি এসএসডি বিদিশা কলিতা এবং তাঁর দেহরক্ষীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ। বুধবার সকালেই বিজেপি নেতা চন্দন গুপ্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বউবাজার ও বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃত চন্দন গুপ্ত বিজেপি নেতা অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৯ আগস্ট অভয়ার বাবা-মায়ের ডাকা নবান্ন অভিযানের দিনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে চন্দনকে শনাক্ত করা হয়। এরপরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এনিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
যদিও চন্দনের গ্রেপ্তারিতে দল গর্বিত বলে জানিয়েছেন অর্জুন সিং। তাঁর কথায়, “অভয়ার ন্যায় বিচার চাইতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে, এই বিষয়ে আমরা গর্বিত।” বিজেপি নেতার কথায়, এক বিক্ষোভকারীকে লাঠিচার্জ করছিল পুলিশ। সেই সময় চন্দন তাঁকে ছাড়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই চন্দনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পুলিশ পড়ে যায়। এরপরেই পুলিশ মামলা করে। কিন্তু কে এই চন্দন গুপ্ত? জানা যায়, জগদ্দল এলাকার বিজেপির অন্যতম সক্রিয় দাপুটে নেতা চন্দন গুপ্ত। ভাটপাড়া ২ নম্বর যে মণ্ডলের সেক্রেটারি সে। একেবারেই অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই বিজেপি নেতার একাধিক ছবিও রয়েছে। ইতিমধ্যে তা প্রকাশ্যে এসেছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত ৯ আগস্ট নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে একেবারে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। বিশৃঙ্খল সৃষ্টি এবং পুলিশকে মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যে ৭টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে পুলিশের তরফে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনান্ত করাও হচ্ছে। আর সেভাবেই জগদ্দলের বাসিন্দা বিজেপি নেতা চন্দন গুপ্তকে প্রথমে শনাক্ত করা হয় এবং আজ বুধবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা, সজল ঘোষ সহ একাধিক নেতাকে নোটিস পাঠিয়েছে লালবাজার।
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে ফের বিক্ষোভে ‘ককরোচ’, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে অনড়, শাহের পুলিশের সঙ্গে ‘সংঘাতে’ অভিজিৎ
-
হাওড়ার ‘জলছবি’ বদলাতে বড় পদক্ষেপ বিজেপি সরকারের, ময়দানে নামলেন খোদ মন্ত্রী-বিধায়ক
-
গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে নিয়ে তৃণমূলের মিথ্যাচার! চেয়ার বিতর্কে কী বললেন গৌরীশংকর
-
বাড়িতে ওয়াই-ফাই লাগিয়েও স্পিড নেই? এই উপায়ে রকেটের গতিতে ছুটবে ইন্টারনেট
-
‘বঙ্গেই প্রথম বন্দে মাতরম ধ্বনি…’, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে শুভেন্দুকে বাংলায় চিঠি মোদির