Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

মাত্রাতিরিক্ত দক্ষিণায় লাগাম, ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে ‘রেট চার্ট’ লাগানোর নির্দেশ

প্রশাসনের পদক্ষেপকে স্বাগত পুণ্যার্থীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১১:৩৬

options
link
মাত্রাতিরিক্ত দক্ষিণায় লাগাম, ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে ‘রেট চার্ট’ লাগানোর নির্দেশ zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে পুরোহিতদের লাগামছাড়া দক্ষিণা নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিয়ে, উপনয়ন, অন্নপ্রাশন থেকে পুজো। সবেতেই পাণ্ডাদের চড়ামূল্যে জেরবার দর্শানার্থীরা। তাতে এবার লাগাম পরাতে চাইছে প্রশাসন। দক্ষিণায় রাশ টানতে এবার আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বিশেষ বৈঠক করল মন্দির কমিটির সঙ্গে।

[বোনের খোঁজে গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গুলিবিদ্ধ ২ দাদা, অভিযুক্ত জামাই]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘাঘরবুড়ি মন্দিরের পরিচালক কালীপাহাড়ি ধর্মচক্র সেবা সমিতির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডল। থানার থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় নির্দিষ্ট রেট চার্ট টাঙাতে হবে মন্দির চত্বরে। যাতে কোনও পুণ্যার্থী প্রতারণার শিকার না হন। শুধু তাই নয়, বিয়ের ক্ষেত্রেও রেজিস্টারও ব্যবহার করতে হবে। যার প্রতিলিপি দিয়ে রাখতে হবে পুলিশ-প্রশাসনকে। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর টানা বিয়ের দিন। চাপ থাকবে আসানসোলের বিখ্যাত ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে। এই ধর্মীয় পর্যটনস্থলকে কেন্দ্র করে বড় ব্যবসায়িক লেনদেন হয় আসানসোলে। শুধু বিয়ে নয়, যেকোনও সামাজিক রীতি রেওয়াজ উৎসবে ঘাঘরবুড়ি মন্দির এখন জনপ্রিয় স্থান। অভিযোগ, এখানে পুরোহিতদের লাগামছাড়া দক্ষিণার দাবিতে মাঝে মাঝেই বচসা বাধে পর্যটকদের সঙ্গে। পুরোহিত-দর্শনার্থীদের বিবাদ থেকে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। সেই অভিযোগ জমা পড়েছে থানায়। তাই আসানসোল পুলিশ এবার  ঘাঘরবুড়ি মন্দিরের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপর হয়েছে।

[দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ভাঙন, ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী ছাত্রী]

ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডল মন্দির কমিটিকে জানিয়েছেন, বিয়ে-পৈতে-অন্নপ্রাশন-গাড়িপুজোর নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করতে হবে। যার প্রতিলিপি থাকবে থানায়। বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্র ও পাত্রীর পরিচয় ও বয়স নির্ধারণের জন্য জন্মের শংসাপত্র দেখেই যেন বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এক সপ্তাহে যতগুলি বিয়ে হবে তার রিপোর্ট থানায় জমা দিতে হবে কমিটিকে। নাবালিকার বিয়ে হচ্ছে কিনা সেদিকেও নজর রাখতে হবে। কালীপাহাড়ি ধর্মচক্র সেবা সমিতির সহ সভাপতি রূপেশ কুমার জানান, ঘাঘরবুড়ি মন্দিরে কোনও নাবালক-নাবালিকার বিয়ে দেওয়া হয় না। সেবাকমিটি ছাড়াও বিশেষ ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শান্তি কমিটি ও পুরোহিতরাও। তবে মন্দিরের বাইরে যদি গাছের নিচে কেউ বিয়ে করেন, তবে সেই বিয়ের দায় মন্দির কমিটি নেবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য এই নির্দেশের পর অত্যাচার কমবে।

ছবি: মৈনাক মুখোপাধ্যায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.