Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Asansol

প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধ নেই, স্টোরের দেওয়া ‘হাই পাওয়ার’ ট্যাবলেট খেয়ে গর্ভপাত আসানসোলের যুবতীর!

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেডিক্যাল স্টোরের মালিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৬:০৪

options
link
প্রেসক্রিপশনে লেখা ওষুধ নেই, স্টোরের দেওয়া ‘হাই পাওয়ার’ ট্যাবলেট খেয়ে গর্ভপাত আসানসোলের যুবতীর! zoom

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: চিকিৎসকের লিখে দেওয়া ওষুধের বাইরে গিয়ে ‘হাই পাওয়ারে’র মেডিসিন দিয়েছিলেন মেডিক্যাল স্টোরের কর্মীরা! তাতেই দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা বধূর গর্ভপাত হয়েছে। এই অভিযোগে তুলকালাম আসানসোলে (Asansol)। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেডিক্যাল স্টোরের মালিক। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আসানসোলের সালানপুরের জেমারি এলাকার বাসিন্দা চাঁদনি মাহাতো। তিনি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মঙ্গলবার তিনি অসুস্থ বোধ করায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। সেই প্রেসক্রিপশন নিয়ে জেমারি রেলগেট সংলগ্ন এক মেডিক্যাল স্টোরে যান তাঁরা। অভিযোগ, দোকানদার চিকিৎসকের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে ডবল ডোজের অর্থাৎ ‘হাই পাওয়ার’ ওষুধ ধরিয়ে দেন।

Advertisement

বাড়িতে ফিরে সময় মতো সেই ওষুধ সেবন খান চাঁদনি। অভিযোগ, তারপরই যুবতীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দ্রুত তাঁকে আবার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ওষুধ দেখে চিকিৎসক নিজে বিস্মিত হন বলে দাবি পরিবারের। এদিকে চাঁদনির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলে তাঁকে ভর্তি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে। তারপর চিকিৎসকেরা জানান, মহিলার গর্ভপাত হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মেডিক্যাল স্টোর ঘেরাও করে দোকান বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা।

দোকানের মালিক বিনয় পাল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দোকানদারের দাবি, চিকিৎসক ১০০ এমজির ওষুধ দিনে দু’বার খাওয়ার কথা লিখেছিলেন। তাঁর কাছে ২০০ এমজি ছিল। সেটা দিয়ে দিনে একবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। বিনয় পালের দাবি, তিনি চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করেই ওষুধ দিয়েছিলেন। এদিকে সালানপুর থানার রূপনারায়ণপুর ফাঁড়িতে অভিযোগ জানিয়েছেন যুবতীর পরিবার। অভিযুক্তের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.