Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Asansol

নিষিদ্ধপল্লির বাংলাদেশি তরুণীর সঙ্গে প্রেম, কাকা-কাকিমাকে বাবা-মা সাজিয়ে পরিচয়পত্র! গ্রেপ্তার যুবক

পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে যেতেই আসল কথা জানতে পারে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৫:৫৮

options
link
নিষিদ্ধপল্লির বাংলাদেশি তরুণীর সঙ্গে প্রেম, কাকা-কাকিমাকে বাবা-মা সাজিয়ে পরিচয়পত্র! গ্রেপ্তার যুবক zoom
গ্রেপ্তার ওই যুবক। নিজস্ব চিত্র

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: নিষিদ্ধপল্লির বাসিন্দা ছিলেন বাংলাদেশি এক অনুপ্রবেশকারী তরুণী। আসানসোলের এক যুবকের সঙ্গে তাঁর প্রণয়ের সম্পর্ক হয়েছিল। নিজের কাকা-কাকিমাকেই ওই তরুণীর বাবা-মা বানিয়ে তৈরি করা হয়েছিল ওই তরুণীর এদেশের ভুয়ো পরিচয়পত্র। এসআইআর আবহে ওই তরুণী বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের আবেদন করেন। এই পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনে এসেই পুলিশের খটকা লাগে। আর তারপরই জানা যায় সব ঘটনা। বাংলাদেশি নাগরিকের ভুয়ো নথি তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সালানপুরের যুবক।

বাংলাদেশি নাগরিকের এদেশে ভুয়ো নথি তৈরি করার অভিযোগে ছোটন সেন নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সালানপুর থানার পুলিশ। তাঁর বাড়ি সালানপুরের দেন্দুয়া অঞ্চলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোলি নামে এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তরুণীকে ময়না সেন নাম দিয়ে আগেই তাঁর এদেশের ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি হয়েছিল। সেক্ষেত্রে ওই তরুণের কাকা-কাকিমাকেই ওই তরুণীর বাবা-মা সাজিয়ে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড-সহ অনান্য ভুয়ো নথি তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়না সেন ওরফে কোলি কুলটির নিষিদ্ধপল্লি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ভুয়ো পরিচয়েই তিনি বসবাস করছিলেন। এসআইআর আবহে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে ময়না সম্ভবত বাংলাদেশ চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাই পাসপোর্টের আবেদন করা হয়। আর তাতেই গোটা ঘটনা সামনে আসে। পাসপোর্টের আবেদনে উল্লেখিত ঠিকানায় ভেরিফিকেশনে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, সেখানে ময়না সেন উপস্থিত নেই। স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, ময়নার তথাকথিত বাবা-মা হিসেবে যাঁদের নাম নথিতে রয়েছে উৎপল সেন ও শুভঙ্করী সেন, তাঁরা আদতে তাঁর বাবা-মা নন। জিজ্ঞাসাবাদে উৎপল সেন স্পষ্ট জানান, তাঁদের কোনও কন্যাসন্তান নেই। তাঁদের নাম ব্যবহার করে ভুয়ো নথি তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁরা কিছুই জানতেন না।

পুলিশের কাছে ছোটন সেন স্বীকার করেন, তিনি ময়নার স্বামী নন। ২০১৯ সালে ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। একসময় তিনি যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্যই পরিকল্পিতভাবে ভুয়ো নথি তৈরি করা হয়। দালালের মাধ্যমে ভুয়ো জন্ম সার্টিফিকেট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড ও প্যান কার্ড তৈরির পরে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশ, জাল নথি তৈরি ও রাষ্ট্রীয় নথির অপব্যবহারের অভিযোগে ছোটনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনা জানাজানি হতেই ওই তরুণী পলাতক। তাঁর খোঁজ চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.