Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bankura

ফর্ম ৭ জমা দেওয়া নিয়ে ধুন্ধুমার, ছাতনায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা

বিজেপির অভিযোগ, ছাতনা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বঙ্কু মিত্রের নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির নেতা–নেত্রীদের হেনস্থা করেন। ইচ্ছাকৃতভাবে ফর্ম জমা দিতে বাধা দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৫:৫২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৫:৫২

options
link
ফর্ম ৭ জমা দেওয়া নিয়ে ধুন্ধুমার, ছাতনায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা zoom
প্রতীকী ছবি

ছাতনা বিডিও অফিসে ফর্ম ৭ জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিজেপি–তৃণমূল সংঘাত চরম আকার নিল। সকাল থেকেই বিডিও অফিস চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়।

বিজেপির অভিযোগ, ছাতনা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বঙ্কু মিত্রের নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির নেতা–নেত্রীদের হেনস্থা করেন। ইচ্ছাকৃতভাবে ফর্ম জমা দিতে বাধা দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

Advertisement

বিজেপির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মুখোপাধ্যায় দাবি করেন, “নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলে আমাদের কর্মীদের আটকে দেওয়া হয়েছে। এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক সন্ত্রাস। তৃণমূল জানে আইনি পথে আমরা এগোলে তাদের অনিয়ম ধরা পড়বে। তাই ভয় দেখিয়ে বাধা দিচ্ছে।” তাঁর সঙ্গে ছিলেন ছাতনার বিজেপি বিধায়কও। বিধায়কের বক্তব্য, “প্রশাসনের নীরবতা তৃণমূলকে আরও উৎসাহ দিচ্ছে।”

অন্যদিকে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা তৈরি করতে বিডিও অফিসে ভিড় জমায়। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, ফর্ম ৭ জমার নামে বিজেপি আগেও বিতর্কে জড়িয়েছে। এবারও একই কৌশলে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। বঙ্কু মিত্রের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, “আইন মেনে কাজ হলে বাধা দেওয়ার প্রশ্নই নেই। বিজেপিই গোলমাল পাকাতে চেয়েছিল।”

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং উভয় পক্ষকেই শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দিনের শেষে স্পষ্ট, ফর্ম ৭ ঘিরে সংঘাত এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। খাতড়ার পর ছাতনাতেও একই ইস্যুতে মুখোমুখি শাসক ও বিরোধী শিবির। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের আগে ভোটার তালিকা ও ফর্ম ৭ এখন প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

একদিকে বিজেপি ‘আইনি অধিকার’-এর কথা বলছে, অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ ‘ভোটচুরির ছক’। ছাতনা বিডিও অফিসের ঘটনা সেই সংঘাতকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল। এর উত্তাপ আগামী দিনে আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.