Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মনুয়ার বায়নায় ক্রমশ ফতুর হতে থাকেন স্বামী অনুপম

ছেলের খুনির শাস্তি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান অনুপমের বাবা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ১০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ১০:৩২

options
link
মনুয়ার বায়নায় ক্রমশ ফতুর হতে থাকেন স্বামী অনুপম zoom

স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: আলাপ-পরিচয় ও প্রেমপর্বের পর প্রায় সাত বছর ধরেই মনুয়ার বায়নাক্কা মেটাতে গিয়ে প্রায় ফতুর হওয়ার অবস্থা হয়েছিল অনুপমের৷ অনুপমের সঙ্গে আলাপের পর থেকেই বিলাসব্যসনে বদলে গিয়েছিল মনুয়ার বাপের বাড়ি৷ হাবে-ভাবে পাড়াপড়শিদের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরি হয়েছিল ওঁদের পরিবারের৷ মনুয়া চাইত, বাবার মতোই হোক অনুপম৷ তাই যখন যা চাইবে, দিতে হবে অনুপমকে৷ পুলিশ জেনেছে, ২০০১ সালে বাংলাদেশ থেকে এদেশে চলে আসেন অনুপম সিংহ৷ বারাসতের বিভিন্ন জায়গায় থাকতে শুরু করেন৷ ২০১০ সালে মনুয়া মজুমদারের মেসোমশাইয়ের কৈলাসনগরের বাড়িতে থাকেন৷ সেখানেই মনুয়ার সঙ্গে আলাপ৷

[মোবাইলে মনুয়ার আপত্তিজনক সেলফির জন্যই কি খুন অনুপম?]

তারপরই মনুয়াদের হৃদয়পুরের বাড়িতে দু’টি এসি মেশিন লাগানো হয় বলে স্থানীয়দের দাবি৷ পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, নানা ‘প্রেমিক’-এর সঙ্গে সম্পর্ক রাখত মনুয়া৷ অনুপমের সঙ্গে কথাবার্তা নিয়ে কোনও প্রমাণ না রাখতে তাঁর ফোন নষ্ট করতে বলেছিল অশোকনগরের ‘প্রেমিক’ অজিতকে৷ অজিত যে বিবাহিত, সেকথা জানত না বলেও পুলিশকে জানিয়েছে সে৷ এদিকে, অনুপমের বাবা জগদীশ সিংহ খুনিদের শাস্তি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান৷ জগদীশবাবুর বয়স ৭০-এর কাছাকাছি৷ তাঁর স্ত্রীও নিয়মিত বাংলাদেশ থেকে ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন৷ ছেলের আচমকা মৃত্যুর খবরে তিনি এতটাই মানসিক আঘাত পেয়েছেন যে মাঝে মাঝেই মোবাইল থেকে ছেলের নম্বরে ফোন করছেন৷ হুঁশ ফিরতেই আবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন৷ খুনিদের শাস্তির দাবিতে তাঁর পাড়াতে মোমবাতি জ্বালানোও হয়েছে৷

Advertisement

[মনুয়াকে ফোনে স্বামীর চিৎকার শোনাতে এই নৃশংস কাজটি করে অজিত]

monua-web-2

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.