Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Barasat

SIR ‘আতঙ্কে’ ফের প্রাণহানি, শুনানির লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু বারাসতের যুবকের

মৃতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক তথা খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২১:১৭

options
link
SIR ‘আতঙ্কে’ ফের প্রাণহানি, শুনানির লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু বারাসতের যুবকের zoom

অর্ণব দাস, বারাসত: এসআইআর শুনানিতে ডাকা নিয়ে আতঙ্কে কেঁদেছিলেন। সেই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বারাসত ২ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসে গিয়েছিলেন মা। শুনানির লাইনে দাঁড়িয়ে আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল বছর আটত্রিশের তরতাজা যুবকের। মৃতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক তথা খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও সরব হন তিনি।

মধ্যমগ্রাম বিধানসভার রোহন্ডা চণ্ডীগড় মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা রমজান আলি। তিনি পেশায় গাড়ি চালক। পরিবারে বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। বৃহস্পতিবার রমজানকে খড়িবাড়ির বারাসত ব্লক ২ বিডিও অফিসে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেখানেই মায়ের সঙ্গে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে বিডিওর গাড়িতেই নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানেই চিকিৎসক জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে রমজানের। তাঁর বৃদ্ধ মা সালমা বেগম কান্না ভেজা গলায় বলেন, “হিয়ারিং নিয়ে চিন্তায় সকালে ছেলে আমার কাছে কাঁদতে কাঁদতে বলছিল কি হবে! জিজ্ঞাসা করছিল তাঁকে কি ধরে নিয়ে যাবে? আমি আশ্বস্ত করেছিলাম যা হবে দেখা যাবে। তারপর আমি সঙ্গে যাই। এরপর এই ঘটনা ঘটে গেল।”

Advertisement

খবর পেয়ে বিকেলে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক তথা মন্ত্রী রথীন ঘোষ, মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ-সহ তৃণমূলের নেতৃত্বরা। অসহায় পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে রথীনবাবু বলেন, “বৈধ ভোটারদের অযথা হয়রানি করতে এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। আর কত মানুষকে নিজেদের নাগরিক প্রমাণ করতে প্রাণ দিতে হবে! নাগরিকত্ব রাখার জন্য হিয়ারিংয়ে গিয়ে আর বাড়ি ফিরবো না, এটা মেনে নেওয়া যায় না। মৃত যুবকের পরিবারের মা, স্ত্রী দুই সন্তান আছে। তাঁদের পরবর্তীকালে কি করে চলবে!।আমি শুনানি কেন্দ্রের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার দাবি করছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.