অর্ণব দাস, বারাকপুর: হোটেলে নারী ও শিশুদের আটকে দেহব্যবসা, শিশু ও নারী পাচার-সহ একাধিক অভিযোগে চারজনকে দোষী সাবস্ত্য করল বারাকপুর আদালত। দোষীদের ২০ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদলত।
কৃষ্ণ দে (৩৫), মণীন্দ্রনাথ আদগিরি (৪৫), বুলু নিয়োগী (৪৫), রাখি ঘোষকে (৪০) দোষী বলে চিহ্নিত করেছে আদালত। দোষীদের মধ্যে কৃষ্ণর বাড়ি খড়দহ, মণীন্দ্রনাথের বাড়ি জগদ্দল, বুলুর বাড়ি উত্তরপাড়া ও রাখির বাড়ি টিটাগড় থানা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দমদমের মাঠকল এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালায় সিআইডি’র এন্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট। আধিকারিকদের কাছে খবর ছিল ওই হোটেলটিতে নারী ও শিশুদের আটকে রেখে যৌন নিগ্রহ করা হচ্ছে। সেই মোতাবেক চলে অভিযান। ওই চক্রের পর্দা ফাঁস করা হয়।
হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২ নাবালিকা ৪ জন মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। সিআইডি ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। ৯ জন জামিনে পেলেও ৪ জনকে সংশোধনাগারে রাখা হয়েছিল। প্রায় সাড়ে সাত বছর এই মামলা চলার পর বুধবার ১৭ জন সাক্ষী ও প্রমাণের ভিত্তিতে ধৃত চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন বারাকপুর আদালতের এডিজে প্রথম কোর্টের বিচারক মৌ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তাদের সাজা ঘোষণা হয়। সরকারি আইনজীবী অসীম দত্ত বলেন, “দোষীদের পকসো আইনে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড সহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।”
সর্বশেষ খবর
-
সাড়ে ৩ দশক পর! রক্তাক্ত অধ্যায় পেরিয়ে কাশ্মীরে রাম মন্দির বানাচ্ছেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা
-
১৫ বছরেই অধিনায়ক! দলীপ ট্রফিতে নতুন ইতিহাস বৈভব সূর্যবংশীর, কীভাবে এল সুযোগ?
-
‘গজনির মতোই স্মৃতিভ্রংশ হয়েছে,’ আমিরের স্মৃতিশক্তি নিয়ে রসিকতা সোনম ওয়াংচুকের
-
পড়ুয়াদের স্বার্থে বিরাট সিদ্ধান্ত, বড় বদল রাজ্য জয়েন্ট কাউন্সিলিং প্রক্রিয়ায়!
-
বিপর্যয়ের আগে ‘টিকটক’ ভিডিও! নেপালে মা-পিসির খোঁজে হন্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণী