Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Baruipur

নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনে ৬১ দিনে বিচার শেষ বারুইপুর আদালতে, শুক্রবার দোষীর সাজা ঘোষণা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দ্রুত ঘটনার তদন্ত এবং বিচার হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২৪, ১৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২৪, ১৮:৫১

options
link
নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনে ৬১ দিনে বিচার শেষ বারুইপুর আদালতে, শুক্রবার দোষীর সাজা ঘোষণা zoom
আদালতে অভিযুক্ত। ছবি - বিশ্বজিৎ নস্কর

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: অক্টোবরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলার রায় দিলেন বিচারক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দ্রুত ঘটনার তদন্ত এবং বিচার হবে। সেই ঘটনায় ৬১ দিনের মাথায় দোষী সাব্যস্ত হল অভিযুক্ত।

নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করল বারুইপুর আদালত। বারুইপুরের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সেশন ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় আজ এই রায় দেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে অক্টোবর মাসের শুরুতে এই ঘটনা সামনে আসে। বারুইপুর মহকুমা আদালতে দ্রুত সেই মামলার বিচার চলে। আজ বৃহস্পতিবার মুস্তাকিন সর্দার নামে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। আগামী কাল তার সাজা ঘোষণা করা হবে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে সাত-আট বছরের এক বালিকাকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল। জয়নগরের মহিষমারি এলাকায় এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। দ্রুত ঘটনার তদন্তের দাবি ওঠে। পুলিশ তদন্তে নেমে মুস্তাকিন সর্দার নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। ৫ অক্টোবর বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয় অভিযুক্তকে। ৮ অক্টোবর এই ঘটনায় সিট গঠন করা হয়।

তার বিরুদ্ধেই এই ঘটনার জন্য অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। বারুইপুর মহকুমা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে পসকো আইনে মামলার শুনানি শুরু হয়। মোট ৩৬ জন সাক্ষী দেন। ৩০ অক্টোবর চার্জশিট জমা পড়ে। ৫ নভেম্বর থেকে সাক্ষ্য শুরু হয়। মামলায় ৩৬ জন সাক্ষ্য দেয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ অভিযুক্ত মুস্তাকিন সর্দারের বিরুদ্ধেই যায়।

আজ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে। আর জি কর হাসপাতালে তরুণী ডাক্তার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। দ্রুত সেই ঘটনার বিচার চাওয়া হয়েছে। সেই আবহেই এবার জয়নগরের ঘটনায় দ্রুত বিচার হল। মাত্র ৬১ দিনের মাথায় আদালত মামলার বিচার শেষ করল। এদিন আদালতে আসেন কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল। বারুইপুরের মহকুমা শাসক অতিশ বিশ্বাস ও জয়নগর থানার আইসি-সহ পুলিশ আধিকারিকরা এদিন আদালতে ছিলেন। আগামী কাল কী সাজা শোনাবে আদালত? সেই অপেক্ষায় ওই নাবালিকার পরিবার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.