মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: সবেমাত্র কাজ শেষ হয়েছে। বসে গল্প করছিলেন সকলে। আর ক্লান্তি দূর করতে পাইপ দিয়ে জোরাল হাওয়া খাচ্ছিলেন। সেই সময় মজার ছলে সহকর্মীর পায়ুদ্বারে পাইপ ঢুকিয়ে দেয় আরেকজন। হাওয়া শরীরে ঢোকার পরই অঘটন। অসুস্থ হয়ে মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যু হয় বাউড়িয়া জুটমিলের শ্রমিকের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাওড়ার বাউড়িয়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
মৃত সাবের মল্লিক। দুই ছেলেমেয়ের বাবা তিনি। মেয়ে চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। ছেলে সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া। সোমবার বাউড়িয়া জুটমিলে মর্নিং শিফটে কাজে গিয়েছিলেন। ঘড়ির কাঁটায় সকাল সাড়ে দশটা হবে। সেই সময় কয়েকজন শ্রমিক বসে গল্পগুজব করছিলেন। দলে ছিলেন সাবের মল্লিকও। পরনে লুঙ্গি।
অভিযোগ, আচমকা এক সহকর্মী সাবেরের লুঙ্গি খোলার চেষ্টা করেন। মজার ছলে পায়ুদ্বারে ওই পাইপ ঢুকিয়ে দেয়। জোরাল হাওয়া মিনিট খানেক শরীরে যাওয়ার পরই অস্বস্তি ছিটকে অন্যত্র চলে যান সাবের। পেটে তীব্র যন্ত্রণা হতে শুরু করে। তাঁকে প্রথমে উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে চিকিৎসকরা জানান, তাঁকে মাণিকতলা ইএসআই হাসপাতালে পাঠানো প্রয়োজন। সেখানেই মৃত্যু হয় সাবের মল্লিকের। মজার খেসারত প্রাণ দিয়ে দিতে হল ওই জুটমিল শ্রমিককে। তাঁর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। ঘরে ছোট ছোট সন্তান। একমাত্র রোজগেরে সদস্যের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ প্রায় সকলে। কীভাবে পেট চলবে, এই চিন্তা রাতের ঘুম কেড়েছে সকলের। এই ঘটনায় পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে জুটমিল কর্তৃপক্ষের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ভিনির ‘ম্যাজিক মোমেন্টে’ও অধরা জয়, ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের
-
শান্তিনিকেতনে অরবিন্দ নিলয়ে বাণিজ্যিক নির্মাণ? বিতর্কের মাঝেই বার্তা ট্রাস্টের
-
কালীঘাটের বৈঠকে কুণাল-অভিষেক তীব্র বাদানুবাদ, পরিস্থিতি সামাল দিলেন মমতা!
-
খুলছে হরমুজ, রবিতেই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি আমেরিকার, বড় ঘোষণা ট্রাম্পের
-
ড্রাগনের ‘উরুভঙ্গে’ চিন সাগরে ওরা কারা? গুপ্তচর কচ্ছপ ও মাছেদের হানাদারিতে শঙ্কিত বেজিং