Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
করোনা

ফর্ম জমা নিয়ে বিশৃঙ্খলার পরের দিনই জানা গেল করোনা আক্রান্ত বিডিও, আতঙ্কে কাঁটা কুলতলি

বৃহস্পতিবার আমফানের ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা নিয়ে হুড়োহুড়ি হয় কুলতলির বিডিও অফিসে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ১১:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ১১:১৮

options
link
ফর্ম জমা নিয়ে বিশৃঙ্খলার পরের দিনই জানা গেল করোনা আক্রান্ত বিডিও, আতঙ্কে কাঁটা কুলতলি zoom
Advertisement

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: এবার করোনা (Corona Virus) পজিটিভ কুলতলির (Kultali) বিডিও। বৃহস্পতিবার রাতে রিপোর্ট আসার পরই সংক্রমণের আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্যে। কারণ, এদিনই আমফানের (Amphan) ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কুলতলি বিডিও অফিসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নেমেছিলেন বিডিও স্বয়ং। ফলে বহু মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন তিনি।

জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন কুলতলির বিডিও। করোনার উপসর্গও ছিল। সেই কারণেই নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার আমফানের ক্ষতিপূরণের ফর্ম জমা নেওয়ার কথা ছিল। স্বাভাবিকভাবেই সকাল থেকে খাওয়াদাওয়া না করে আগে সেই লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ক্ষতিগ্রস্তরা। রোদের তাপে কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁরা আগে ফর্ম জমা দিতে চান। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় আবেদনকারীদের মধ্যে। ভিড়ের চাপে মাটিতে পড়ে যান কয়েকজন মহিলা। তাঁদের উপর দিয়েই চলে যান আরও অনেকে। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ ও বিডিও নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড চিকিৎসায় Prawn পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করল রাজ্য]

এই ঘটনার দীর্ঘক্ষণ পর বৃহস্পতিবার রাতে হাতে আসে কুলতলির বিডিওর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট। জানা যায়, তিনি আক্রান্ত। মুহূর্তে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে খবর। এতেই প্রত্যেকের মনে জাঁকিয়ে বসেছে সংক্রমণের আতঙ্ক। কার্যত ঘুম উড়েছে তাঁদের। জানা গিয়েছে, শুক্রবার কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হবে আক্রান্ত বিডিওকে। সেই সঙ্গে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে ২ সাংবাদিককেও। প্রসঙ্গত, রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। শেষ কয়েকদিনে প্রতিদিনই ৬০০-এর বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। যার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা কার্যত ২০ হাজার ছুঁইছুঁই। একইভাবে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা প্রাণ কেড়েছে এরাজ্যের ১৬ জনের। রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৯৯ জনের। 

[আরও পড়ুন: শিক্ষামন্ত্রীর ডাকে সাড়া, গ্রামে গিয়ে গাছতলায় পড়াচ্ছেন বার্নপুর শান্তিনগর বিদ্যামন্দিরের শিক্ষকরা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.