BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দিলীপের পর বিজেপির সায়ন্তন, এনকাউন্টার হুমকিতে মামলা রুজু সিউড়ি থানায়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 22, 2018 2:07 pm|    Updated: June 22, 2018 2:11 pm

An Images

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: প্রকাশ্য সভায় তৃণমূল নেতাদের এনকাউন্টারের হুমকি দেওয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে৷ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে পুলিশ৷ কিন্তু তাতেও গেরুয়া নেতারা যেন কিছুতেই কুবাক্য প্রয়োগে রাশ টানছেন না৷ দিলীপ ঘোষের পর এবার রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু৷ সভাপতির পথ অনুসরণ করেই তিনিও দিলেন এনকাউন্টারের হুমকি৷ নাম না করে তোপ দাগলেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে৷ তাঁর বিরুদ্ধেও ইতিমধ্যে সিউড়ি থানায় রুজু হয়েছে মামলা৷

[তাপ্পি দেওয়া টায়ারে পরপর ব্রেকডাউন গাড়ি, যানজট সরাতে নাজেহাল পুলিশ]

গতকাল বীরভূম জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসূচি পালন করেছে জেলা বিজেপি৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু ও শীর্ষ নেতা শমীক ভট্টাচার্য৷ সেই সভাতেই নাম না করে অনুব্রত মণ্ডলকে এনকাউন্টারের হুমকি দিতে শোনা যায় সায়ন্তন বসুকে৷ তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে প্রথমে অসুরের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। তারপর বলেন, রাজ্যের শাসনে বিজেপি এলে ৭২ ঘন্টা সময় দেওয়া হবে। তারপরেই এনকাউন্টার করা হবে৷ একজন রাজনৈতিক নেতা হয়ে সায়ন্তন বসু এমন উসকানিমূলক মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে৷ সমালোচনা করেছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ তাঁর কটাক্ষ, যাঁদের কোনও আন্দোলনের ইতিহাস নেই, তাঁদের সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করবে না৷ এখানেই শেষ নয়, সায়ন্তন বসুর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল মহাসচিব৷

[বান্ধবীকে নিয়ে থাকবে বলে মাকে মারছে ছেলে, অভিযোগ শুনে তাজ্জব পুলিশ]

এই একই হুমকি কয়েকদিন আগেই শোনা গিয়েছিল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের মুখে। তিনিও তৃণমূল নেতাদের এনকাউন্টার করার হুমকি দিয়েছিলেন৷ যার জবাব গতকাল নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বর্ধিত কোর কমিটির সভায় দিয়েছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিজেপিকে জঙ্গি সংগঠন আখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ তৈরি করছে বিজেপি৷ বিভেদ সৃষ্টির তৈরি করছে তারা৷ তাঁর সংযোজনা, বিজেপির কৌশল রোধে সতর্ক থাকতে হবে দলীয় কর্মীদের৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement