Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

চোখ বেঁধেও কীভাবে ছবি আঁকে ‘বিস্ময় বালিকা’? ফাঁস রহস্য

রহস্যের জট ছাড়ালেন বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৩:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৩:২০

options
link
চোখ বেঁধেও কীভাবে ছবি আঁকে ‘বিস্ময় বালিকা’? ফাঁস রহস্য zoom

স্টাফ রিপোর্টার: চোখ বাঁধলেও সবই দেখতে পায় তৃতীয় শ্রেণির প্রিয়া মণ্ডল। এই ‘বিস্ময় বালিকা’র রহস্যের সমাধানে সিউড়ির রস্তানপুরে মঙ্গলবার সকালে তার বাড়িতে যান বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের সামনেও কাপড় দিয়ে চোখ বেঁধে অবলীলায় রং করা থেকে বই পড়া, সবই করছিল এই ‘বিস্ময় বালিকা’। তবে ছবি আঁকা বা বই পড়া, সবই প্রিয়া করছিল কোলের উপর বা মেঝেতে বই বা খাতা রেখে। কিন্তু চোখের সোজাসুজি বা মাথার পিছনের বস্তুর বিষয়ে প্রিয়া কিছু বলতে পারছে না। বিজ্ঞান মঞ্চের দাবি, এর থেকে স্পষ্ট, কাপড় ভেদ করে তার চোখে  যা প্রতিফলিত হচ্ছে সেটাকেই দেখতে পাচ্ছে প্রিয়া। এর মধ্যে অলৌকিকত্ব কিছু নেই।

[কয়েন নয়, নোট চাই গান গেয়ে ভিক্ষা বাঁকুড়ায়]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে বিজ্ঞান মঞ্চ তাদের যুক্তি দিলেও চোখ বাঁধা অবস্থায় প্রিয়া যেভাবে অবলীলায় পড়তে পারছে সে নিয়ে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী মহল নানা যুক্তি দিচ্ছে। সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ সোমনাথ মৌলিক বলেন, “চোখে যদি কোনও আলো প্রতিফলিত না হয় তাহলে কারও পক্ষে দেখা সম্ভব নয়।” যুক্তিবাদী বিজ্ঞান মঞ্চের চার সদস্য মঙ্গলবার সকালে গিয়ে সেই দাবিই করেন। তাঁরা প্রিয়ার চোখ হাতের আঙুল দিয়ে চেপে ধরেন। আলোর বিচ্ছুরণ না যাওয়ায় প্রিয়া আর কিছু করতে পারেনি। মাথার পিছনে কোনও ঘটনা ঘটলেও তার জবাব দিতে পারেনি প্রিয়া।

বিজ্ঞান মঞ্চের সম্পাদক দেবাশিস পালের অভিযোগ, এমন বিস্ময়কে নিয়ে কেউ কেউ ব্যবসা করে মানুষকে প্রতারিত করছে। যদিও প্রিয়ার পরিবার এর মধ্যে অলৌকিকত্ব কিছু দাবি করেনি। তার  বাবা তারিণী মণ্ডল বলেন, “প্রিয়া ছোট বয়স থেকে যোগাসন, ধ্যান করে। তার জেরেই  চোখ বাঁধা থাকলেও সে স্পষ্ট দেখতে পায়। এদিকে প্রিয়ার বিস্ময় প্রতিভার পাশাপাশি ময়ূরেশ্বর থেকে একইরকম চোখ বাঁধা আরও এক বিস্ময় বালকের ক্ষেত্রেও একই দাবি ওঠে। তবে স্নায়ু ও মনোবিজ্ঞানীরা শিশু ও কিশোরদের অতীন্দ্রীয় ক্ষমতাকে একেবারে উড়িয়ে দেননি। তাঁদের যুক্তি, ‘মিড ডে অ্যাক্টিভেশন’ বলে মাথার দুটি প্রকোষ্ঠের সমন্বয় হলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মাথার বাঁ দিকের প্রকোষ্ঠ বিশ্লেষণ করে, ডান দিকের মাথা সৃজনশীলতার কাজ করে। যাদের এই দুটি প্রকোষ্ঠ একসঙ্গে সমন্বয় সাধন করে তাদের এমন ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়। যার জেরে শিশু ও কিশোররা অনেক কিছু বিস্ময়ের কাজ করে।

[‘ম্যাজিক গ্লাস’-এ চোখ রাখলেই ভাসছে নগ্ন ছবি, তাজ্জব পুলিশ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.