BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘রাস্তায় জনতার সামনে এনকাউন্টার করা উচিত দোষীদের’, হাথরাস কাণ্ডে কড়া মন্তব্য লকেটের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 1, 2020 1:39 pm|    Updated: October 1, 2020 1:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নারীর উপর নারকীয় নির্যাতনের ঘটনায় এই মুহূর্তে জ্বলন্ত নাম – উত্তরপ্রদেশের হাথরাস (Hathras Gang Rape)। দলিত তরুণীকে গণধর্ষণের পর নৃশংস অত্যাচার, গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি এবং সপ্তাহ দুয়েক পর মৃত্যু, পরিবারের হাতে দেহ তুলে না দিয়ে রাতের আঁধারে তা পুড়িয়ে দেওয়া – পরপর এতগুলো ঘটনায় দেশে ফিরেছে ‘নির্ভয়া’ স্মৃতি।দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে দলমত নির্বিশেষে গর্জে উঠেছেন সকলে।

এবার একজন নারী হিসেবে হাথরাসের ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদে জানালেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। ক্ষোভের সুরে তাঁর মন্তব্য, ”দোষীদের এনকাউন্টার করা উচিত। রাস্তার মাঝখানে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে দেওয়া উচিত।”

[আরও পড়ুন: ‘ন্যক্কারজনক’, হাথরাসে ধর্ষণ নিয়ে সরব মমতা, নাম না করে বিজেপিকে বিঁধলেন তৃণমূল নেত্রী]

কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের সমর্থনে বিজেপির কর্মসূচি ‘কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রা’য় যোগ দিতে ঝাড়গ্রামে (Jhargram) গিয়েছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মিছিল সেরে জনসংযোগের জন্য স্থানীয় এক দোকানে ‘চায়ে-পে-চর্চা’য় যোগ দেন তিনি। সেখানে নানা প্রসঙ্গের মাঝে উঠে আসে উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে দলিত তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতির কথা। তাতেই লকেটের বক্তব্য, ”উত্তরপ্রদেশ বলুন, রাজস্থান বলুন কি পশ্চিমবঙ্গ বলুন – মহিলাদের উপর এহেন অত্যাচারে লিপ্ত দোষীদের এনকাউন্টার (Encounter) করা উচিত। কোনও রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত আমি বুঝি না। মহিলাদের উপর অত্যাচার হলে দোষীদের কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করিয়ে সবার সামনে ওদের গুলি করা উচিত।”

[আরও পড়ুন: মহিলা মোর্চার কর্মীদের ‘শ্লীলতাহানি’, বারুইপুরে গ্রেপ্তার বিজেপির জেলা সম্পাদক]

কোনও দলের প্রতিনিধি নন, বরং লকেট চট্টোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য একেবারেই একজন নারী এবং জনপ্রতিনিধির দৃষ্টিকোণ থেকেই, তা স্পষ্ট। তাই বিজেপি শাসিত যোগীরাজ্যের অন্যায় নিয়েও এভাবে গর্জে উঠলেন তিনি। এদিনের ‘চায়ে-পে-চর্চা’য় জঙ্গলমহলের উন্নয়ন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তাঁর জবাব, কোনও উন্নয়নই হয়নি। লোকসভার মতো আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও এর ফল হাতেনাতে পাবে তৃণমূল। গত লোকসভায় জঙ্গলমহলের তিন জেলায় কার্যত সাফ হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল। প্রতিটি কেন্দ্রেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। এই শক্তিতে ভর করেই আগামী বিধানসভাতেও লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে গেরুয়া শিবির।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement