ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: বিয়ের পরেও অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক! জামাইকে খুনের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে। বীরভূমের নানুরে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মৃতের শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
[জামাইষষ্ঠীতে এসে আর ফেরার নাম নেই, যেতে বলায় অভিমানে আত্মঘাতী দম্পতি]
মৃতের নাম রসুল বক্স। বাড়ি মুর্শিদাবাদে। দিল্লিতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন রসুল। তাঁর শ্বশুরবাড়ির বীরভূমের নানুরের বালিকুনি গ্রামে। ইদের ছুটিতে মুর্শিদাবাদে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছিলেন রসুল। কয়েক দিন আগে স্ত্রীকে এনেছিলেন শ্বশুরবাড়িতে। নানুরের বালিকুনি গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, যেদিন রসুল এসেছিলেন, সেদিনই শেষবার তাঁকে দেখেছিলেন তাঁরা। রসুলকে দেখতে না পেয়ে গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয়। খোঁজ খবর করতে শুরু করেন তাঁরা। গ্রামবাসীদের দাবি, শ্বশুরবাড়ির এক সদস্য তাঁদের জানান, রসুলকে খুন করে সেপটিক ট্যাঙ্কে দেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। খবর দেওয়া হয় নানুর থানায়।
শনিবার গভীর রাতে শ্বশুরবাড়ির ছাদে সেপটিক ট্যাক্স থেকে রসুল বক্সের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নুন মাখিয়ে সাদা কাপড়ে মুড়ে মৃতদেহটি সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনার মৃতের শ্বশুর, শাশুরি ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে এক মহিলার সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন রসুল। এই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অশান্তিও লেগেই থাকত। সম্ভবত সেই কারণে জামাই রসুলকে খুন করেছে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।
[সস্তার বিশ্বভারতীর গেস্ট হাউস এবার মহার্ঘ, ভাড়া বাড়ছে কয়েক গুণ]
সর্বশেষ খবর
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা
-
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের
-
বাড়ির প্রত্যেক সদস্যদের আলাদা আয়ুষ্মান কার্ড, আধার নম্বরেই মিলবে উপভোক্তার তথ্য
-
দেবরাজের ‘দাদাগিরি’র নয়া হদিশ! দাবিমতো কোটি টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ মামলায় চার্জশিট