রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: দুদিন আগেই পালটা মারের হুমকি দিয়েছিলেন। শুক্রবার নিশানা সাধলেন পুলিশের দিকে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ। এবার পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। বললেন, ‘পুলিশ শাসকদলের ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে। বোমা, বন্দুক এনে পুলিশ বলছে বিরোধীদের পার্টি অফিসে পাওয়া গিয়েছে।’ দিলীপের বক্তব্য, ‘গতকাল পুলিশ মার খেয়েছে। দায়িত্ব পালন না করলে আগামিদিনে পুলিশের কপালে দুঃখ আছে।’ আগামীদিনে পুলিশও যে মার খাবে এমনই হুঁশিয়ারি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এমন কথা বলে পক্ষান্তরে রাজ্যের আইনের রক্ষককেই শাসানি দিলেন তিনি।
[বিজেপি ‘বেইমানি’ করেছে, ডুয়ার্সে তৃণমূলকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত মোর্চার]
এদিন বিজেপির স্থাপনা দিবস উপলক্ষ্যে মুরলীধর সেন লেনের রাজ্য সদর দপ্তরে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। রেয়াত করেননি রাজ্যের শাসকদলকেও। তৃণমূলের উদ্যেশ্যে তিনি বলেন, ‘বোমা, বন্দুক নিয়ে কেউ এলে আমরা রসগোল্লা খাওয়াবো না। তাদের খাবার অন্য জিনিস। সেটাই তাদের খাওয়াবো।’ এদিন গান্ধীমূর্তির নিচে মুকুল রায়ের নেতৃত্বে দুপুর থেকে অবস্থানে বসে বিজেপি। পঞ্চায়েতে সন্ত্রাসের প্রতিবাদে। সন্ত্রাস বন্ধের আবেদনে বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সেল। তারপর রাজ্য দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। মনোনয়ন পর্বকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে হিংসার অভিযোগ তুলে শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দাগবেন স্মৃতি, এমনটাই সূত্রের খবর। পুলিশের কপালে দুঃখ আছে, দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য থেকে মনে করা হচ্ছে, পুলিশ আগামিদিনে মার খেতে পারে এই হুঁশিয়ারি দিতে চেয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। অন্যদিকে, বিজেপির দায়ের করা মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার রায় জানাবে শীর্ষ আদালত।
[নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ, শুভেন্দু-অনুব্রতদের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপির]
প্রসঙ্গত, বুধবার শাসকদলের বিরুদ্ধে মনোনয়ন পেশে বাধা ও সন্ত্রাসের অভিযোগে কমিশনের দপ্তরে বিক্ষোভে দেখিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কমিশনের অফিসের সামনে দাঁড়িয়েই শাসকদলের কর্মীদের পালটা মারের দাওয়াই দেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতির মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বুধবারই কমিশনে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজেপির বিরুদ্ধে উসকানিমূলক রাজনীতি অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ হয় শাসকদল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। বাইরে বেরিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি, যাঁরা দাঙ্গা করে উন্নয়নকে স্তদ্ধ করতে চাইছেন, মানুষ তাঁদের জব্দ করে দেবেন।
[সংবিধান বিপন্ন হলে আমরা রাজ্যপালের কাছেই যাব: মুকুল রায়]
সর্বশেষ খবর
-
পুণেতে ভারী বৃষ্টির মাঝেই ধসে গেল জঞ্জালের পাহাড়! ভাঙল বাড়ি, চাপা পড়ে বহু মৃত্যুর আশঙ্কা
-
মেসি কাণ্ডে রিপোর্ট প্রস্তুত তদন্ত কমিটির, পেশের অনুমতি দিল হাই কোর্ট
-
আইএসএল চালাবে ক্লাবই, থাকছে ডায়মন্ড হারবার! ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের নিয়মে বদল ফেডারেশনের?
-
মাঝরাস্তায় ডেলিভারি বয়ের উপর হামলা চিতাবাঘের! তারপর… ভাইরাল হাড়হিম ভিডিও
-
রোনাল্ডোর জন্যই পর্তুগাল ব্যর্থ! ‘শিক্ষা’ নিয়ে ড্রেসিংরুমে তারকা বর্জনের ডাক ফরাসি কোচের