Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP

১০ বছর প্রেম, সহবাসের পরও বিয়েতে নারাজ TMC কাউন্সিলরের ছেলে! থানায় BJP নেত্রী

'রাজনৈতিক চক্রান্ত', দাবি তৃণমূল নেত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২২, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২২, ২১:১৬

options
link
১০ বছর প্রেম, সহবাসের পরও বিয়েতে নারাজ TMC কাউন্সিলরের ছেলে! থানায় BJP নেত্রী zoom
ছবি: প্রতীকী।

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: এক দশকের প্রেম। ভালবাসার সঙ্গেই তৈরি হয়েছিল শারীরিক সম্পর্কও। কিন্তু সেই সম্পর্ক পরিণতি পায়নি। অভিযোগ, অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করেন প্রেমিক। সেই শোকে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন প্রেমিকা। পরে অবশ্য তৃণমূল কাউন্সিলরের (TMC Councillor) ছেলে তথা প্রেমিকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে মামলা করলেন বিজেপি প্রার্থী। কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কালনার পুরভোটের বিজেপির প্রার্থীর সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে ইন্দ্রনীল বসুর দীর্ঘ ১০ বছরের সম্পর্ক। বিজেপি (BJP) নেত্রীর দাবি, ২০১৫ সালে তাঁদের বিয়েতে মতও দিয়েছিলেন অভিযুক্তর মা তথা বর্তমানে তৃণমূলের কাউন্সিলর কল্পনা বসু। কিন্তু আচমকাই কল্পনাদেবী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই সেই সময় বিয়ে স্থগিত হয়ে যায়। তবে দুজনের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল। এমনকী, দুজন দুজনের বাড়িতেও যাতায়াত করতেন বলে খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: যাত্রীবাহী বাসে ভরতি বিস্ফোরক! কাটোয়ায় এসটিএফের অভিযানে গ্রেপ্তার বিহারের দুষ্কৃতী]

গেরুয়া শিবিরের নেত্রীর অভিযোগ, ছ’মাস আগে হঠাৎই যোগাযোগ বন্ধ করে দেন ইন্দ্রনীল। তার পরই অন্য একটি মেয়েকে তিনি বিয়ে করেন বলে জানতে পারেন তিনি। ইন্দ্রনীলের বৌভাতের দিন হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। ভরতি হতে হয় হাসপাতালে। পরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। প্রেমিকা ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ,“ইন্দ্রনীল বসু বাড়িতে আসা যাওয়া করত। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বারংবার শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করেও এখন তা অস্বীকার করছে। ওদের বাড়িতে গেলে মা ও ছেলে দুজনেই খারাপ কথা বলে। থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে।”

এদিকে এদিন অভিযোগের সত্যতা জানতে ইন্দ্রনীলকে ফোন করা হলে তাঁর মা ফোনটি ধরেন। এই ঘটনাকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে উল্লেখ করে কল্পনাদেবী বলেন, “আমার কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি। আর যিনি অভিযোগ করছেন তিনি পুরসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। আমি তৃণমূলের কাউন্সিলর ।কোনও বিরোধী দলের মদতে আমার চরিত্র হনন করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক চক্রান্ত।” কালনা থানার এক পুলিশ অফিসার বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে কেস রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

[আরও পড়ুন: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান: অবশেষে কাটল জট, বরাদ্দের ৬০ শতাংশ খরচ দিতে রাজি কেন্দ্র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.