সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: ‘‘বিধানসভা ভোট যখনই হোক ৩০টির বেশি আসন পাবে না তৃণমূল।’’ শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে শনিবার এমনই দাবি করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এখানেই শেষ নয়, মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমোকে কটাক্ষ করেই এদিন মুকুল রায় জানান, তৃণমূল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। মুখ্যমন্ত্রীও পারবেন না তৃণমূলকে বাঁচাতে। বাংলা থেকে তৃণমূল মুছে যাবে। বিরল উপজাতিতে পরিণত হবে।
[ আরও পড়ুন: মূক ও বধির ছাত্রীকে লাগাতার ধর্ষণ, অপরাধ ঢাকতে নির্যাতিতাকে অপহরণ ]
এমনকী, এদিন ফের একবার তৃণমূলের সিঙ্গুর আন্দোলনকে ভুল বলে, এর সমালোচনা করেন মুকুল রায়৷ বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যের কথায়, ‘‘টাটাকে আসতে না দেওয়াটা ছিল ‘হিমালয়ান ব্লান্ডার’।’’ শনিবার ফের একবার রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এবং রাজ্যের নাম পরিবর্তন করাকে হাতিয়ার করে, তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছেন মুকুল৷ তিনি জানান, রাজ্যে গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছেন মমতা। তাই মানুষ তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। মমতা ভুলিয়ে দিতে চাইছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে ও বাংলার ইতিহাসকে। বাংলার নাম পালটে পাকিস্তানের সঙ্গে জুড়ে দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।
[ আরও পড়ুন: পরিবারের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে প্রেমিকের সঙ্গে মেলামেশা, সম্মান রক্ষার্থে খুন নাবালিকা ]
জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার থেকে সমগ্র দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে বিজেপি৷ সেই অভিযানের সূচনায় এদিন কল্যাণী টাউন ক্লাব হলে যান মুকুল রায়। শ্রীরামপুর ও কল্যাণীতে সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করেন তিনি। অন্যদিকে উত্তর কলকাতার শ্যামবাজার ও মেদিনীপুরে সদস্য অভিযানের সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গে নতুন সদস্য করার টার্গেট ১ কোটি বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহ। আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই শনিবার থেকে বাংলাজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে বঙ্গ বিজেপি। বাংলায় তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে বিজেপি। লোকসভায় ১৮টি আসন গেরুয়া শিবিরের ঝোলায় এসেছে। এবার তাদের লক্ষ্য বিধানসভা নির্বাচন। মোদি-শাহদের পাখির চোখও এখন বাংলা। তাই জনসমর্থনের ভিত আরও বাড়াতে এবং মোদি সরকারের উন্নয়নমুখী কাজ সাধারণের কাছে প্রচারে এই সদস্য সংগ্রহ অভিযানের মধ্য দিয়েও কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। শনিবার রাজ্যের ৩৮টি সাংগঠনিক জেলায় সদস্য করার কাজ শুরু করেছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
এদিন, পানিহাটিতে সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি, বেহালাতে ছিলেন কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা, নদিয়া উত্তরে কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, হাওড়াতে সুরেশ পূজারি, হুগলিতে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়িতে বিধায়ক মনোজ টিগ্গা প্রমুখ।
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার