দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: দফায়-দফায় উত্তপ্ত হয়েছে রিষড়া। সোমবার সেখানে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। মঙ্গলবারও সুকান্ত মজুমদার ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে রিষড়া সংলগ্ন শ্রীরামপুরেও ঢুকতেও বাধা দেওয়া হল। রাজ্য পুলিশের দাবি, এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাই বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত রিষড়া। ঘটনাস্থলে যেতে চেয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন সুকান্ত মজুমদার। রাস্তায় বসে দীর্ঘক্ষণ ধরনা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও তাঁর দলবল। সন্ধে অবধি বসে থেকেও কোনও লাভ হয়নি। রিষড়ায় যাওয়ার অনুমতি পাননি তিনি। এরপর রণে ভঙ্গ দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন মঙ্গলবার সকালে ধরনায় বসবেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: নিশীথ কাণ্ডে নথি দিচ্ছে না! রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা CBI-এর]
ফের সোমবার রাতে অশান্তি বাঁধে। এরপর শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এদিন সকালে ধরনা মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ। এদিকে এদিন সকালে উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই রিষড়া পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখান থেকে দুষ্কৃতীদের কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।
পালটা রিষড়া সংলগ্ন শ্রীরামপুরে ঢোকার চেষ্টা করেন সুকান্ত ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। কিন্তু তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। জানায়, ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। পালটা বিজেপি প্রতিনিধিদের দাবি, “মাত্র দুজন যাচ্ছি। যতটা ১৪৪ ধারা জারি নেই, ততটা যাব।” তবু বরফ গলেনি। দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, পুলিশের সঙ্গে লাগাতার বচসা চলছে সুকান্ত-জ্যোতির্ময়দের।
সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, “দুজন জনপ্রতিনিধি যেতে চাইছি, তাও আটকানো হচ্ছে। জনমানবহীল এলাকায় আমাদের আটকাচ্ছে, যাতে জল-খাবার না পাই।”
[আরও পড়ুন: রিষড়ায় নতুন করে অশান্তি নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু, রাজ্যের রিপোর্ট চাইল আদালত]
সর্বশেষ খবর
-
নড়তেই দেননি মনবীরদের, ডার্বি মাতানো তরুণ ডিফেন্ডারকে সিনিয়র দলে ডাকতে পারেন হাবাস
-
ছাত্রীকে অশালীন স্পর্শে জেলে শিক্ষক, ‘মিথ্যা’ অভিযোগ দাবি করে স্যরের মুক্তির দাবিতে পথে পড়ুয়ারা
-
চ্যাটজিপিটি যখন ‘টাইম মেশিন’! আটের দশকে ফেরাই ট্রেন্ড, জানুন সহজ প্রম্পট
-
পুরুলিয়ায় এবার ফিল্ম সিটি! পর্যটনের বিকাশে ‘রোডম্যাপ’ নিয়ে শুভেন্দুর দ্বারে জ্যোতির্ময়
-
সুমিত রায়ের অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি! অভিষেকের আপ্তসহায়ককে নিয়ে আদালতে বিস্ফোরক দাবি রাজ্যের