সুমন করাতি, হুগলি: শীতলা মন্দিরের পুজো উপলক্ষ্যে বিজেপি নেতা-কর্মীরা হাজির হয়েছিলেন। ছিলেন বিজেপির নেতা, পেশায় অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষও। অভিযোগ, মন্দির চত্বরে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া ঘিরে শুরু হয় চাপা উত্তেজনা। ওই মন্দির এলাকায় জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া যাবে না। জোরালো সেই দাবি, প্রতিবাদ ওঠে স্থানীয়দের থেকে। বাধ্য হয়ে রুদ্রনীল-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা এলাকা ছাড়েন বলে খবর। যদিও এই বিষয়টিকে গায়ে মাখেননি বিজেপি নেতৃত্ব।
হুগলির চুঁচুড়া বিধানসভার কোদালিয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের সিমলেপুলল এলাকার বেনাভারুই গ্রামে দীর্ঘ সময় ধরে ওই শীতলা পুজো হয়ে আসছে। সাধারণ মানুষরাই উদ্যোগী হয়ে এই পুজো করেন বলে খবর। আজ মঙ্গলবার ওই মন্দিরের বাৎসরিক পুজোর দিনে সেখানে হাজির হয়েছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ-সহ স্থানীয় নেতারা। তাঁরা মন্দিরে ঢুকে পুজো দেন। তখনও পরিস্থিতি শান্ত ছিল। কিছু সময় পরে ওই মন্দির চত্বরে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া শুরু হয়। নিমেষে তাল কাটে ওই এলাকার। স্থানীয়রা প্রবল আপত্তি তোলেন। মন্দির চত্বরে এই স্লোগান দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।
এতে পরিস্থিতি তেতে ওঠে। পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়। এরপরই রুদ্রনীল-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান তোলা হয়। এক মহিলা এগিয়ে এসে বলেন, “এখানে মা শীতলা স্লোগান চলবে। জয় শ্রীরামের স্লোগান দেবেন না” এলাকার লোকজনের দাবি, ওই পুজোকে ঘিরে কোনও রাজনীতি নেই। দু’পক্ষই চেঁচামেচি জুড়ে দেয় মন্দির চত্বরে। শেষপর্যন্ত একপ্রকার বাধ্য হয়েই বিজেপি নেতা-কর্মীরা এলাকা ছাড়েন বলেই খবর। যদিও এই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান ও এলাকা ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তেমনভাবে কিছু বলতে চাননি বিজেপি নেতৃত্ব। রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়েছেন, হিন্দু সনাতনী হিসেবে তিনি সেখানে পুজো দিতে গিয়েছিলেন।
সর্বশেষ খবর
-
টিকিটাকায় ধরাশায়ী অস্ট্রিয়া, দুর্বার গতিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের