Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Barasat Municipality

বেআইনি নিয়োগ, বিল্ডিং প্ল্যানেও কেলেঙ্কারি! বারাসত পুরসভা ‘দুর্নীতির আঁতুড়ঘর’, দাবি বিধায়কের

বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রাথমিকভাবে হাতে আসা নথিতেই একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ২১:২৫

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ২১:২৫

options
link
বেআইনি নিয়োগ, বিল্ডিং প্ল্যানেও কেলেঙ্কারি! বারাসত পুরসভা ‘দুর্নীতির আঁতুড়ঘর’, দাবি বিধায়কের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান-সহ একাধিক কাউন্সিলরের পদত্যাগে টালমাটাল বারাসত পুরসভা। যে কোনও সময় ভেঙে যেতে পারে পুরবোর্ড। ভাঙনের জল্পনার মধ্যেই এবার নিয়োগে অনিয়ম ও বেআইনি বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের অভিযোগ তুলে সরব হল বিজেপি। জেলাশাসকের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে জাল নথির ভিত্তিতে চাকরি হয়ে থাকলে তা বাতিলের আর্জিও জানিয়েছেন বারাসতের বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। এহেন অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, ”বারাসত পুরসভা দুর্নীতির আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে। সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। জাল নথির ভিত্তিতে চাকরি হয়ে থাকলে তা বাতিল করতেই হবে।”

বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রাথমিকভাবে হাতে আসা নথিতেই একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। নন্দিতা দাস ও সোমা চট্টোপাধ্যায় নামে দুই কর্মীর নিয়োগপত্রে থাকা জন্মতারিখের সঙ্গে মাধ্যমিক-সহ সরকারি নথির জন্মতারিখের মিল নেই। নন্দিতা দাসের ক্ষেত্রে বাবার নামেও গরমিল রয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। শংকর চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, এই দুই ঘটনা কেবল নমুনা! পুরসভার আরও বহু নিয়োগে একই ধরনের অনিয়ম হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকেও প্রভাব খাটিয়ে হাজিরা নথিভুক্ত করানোর ঘটনাও ঘটছে। তাঁর বক্তব্য, “বারাসত পুরসভা দুর্নীতির আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে। সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। জাল নথির ভিত্তিতে চাকরি হয়ে থাকলে তা বাতিল করতেই হবে।”

Advertisement

একই সঙ্গে পুরসভার বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলা যুব মোর্চার সভাপতি শুভঙ্কর সেন। তাঁর দাবি, প্রাক্তন চেয়ারম্যানের আমলে বেআইনিভাবে জমি দখল, পুকুর ভরাট করে প্রোমোটিং হয়েছে। অনলাইন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরেও অফলাইনে বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করানো হয়েছে। শুভঙ্করের কথায়, “প্রোমোটারদের সুবিধা পাইয়ে দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত।” বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে পালাবদলের পর রাজ্যের একাধিক পুরসভায় দেখা দিয়েছে ডামাডোল। উঠে আসছে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল বারাসত পুরসভারও। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.